শিরোনাম

দুই দিন পরপর ফাইনালের টেনশন নিতে হয়, এটা কোনো কথা: ইরফান সাজ্জাদ বিতর্ক এড়াতে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালে ৭ দেশের রেফারি হঠাৎ ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল কুয়েতে দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

দুই দিন পরপর ফাইনালের টেনশন নিতে হয়, এটা কোনো কথা: ইরফান সাজ্জাদ

শেষের ঘণ্টা বাজছে। আজ রাতেই সমাপ্ত হবে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। আর এই মহারণে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। টানা দুইবার বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা। ভক্তরা আশা করছে, গতবারের মতো এবারের কাপও নিয়ে নেবেন লিওনেল মেসি ও তার সতীর্থরা।

এদিকে ফাইনাল নিয়ে ব্রাজিল ও অন্য দলের ভক্তদের খোঁচা দিয়ে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। তিনি আর্জেন্টিনার ঘোর সমর্থক। বিশ্বকাপজুড়ে প্রিয় দলের হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব ছিলেন।

রোববার দুপুরে ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় মজা করেই বলেন, ‘কী একটা অবস্থা রে ভাই! দুই দিনের দুনিয়া, এর মধ্যেই দুই দিন পরপর ফাইনাল খেলা লাগে, ফাইনালের টেনশন নিতে হয়; এটা কোনো কথা! ২০১৪ বিশ্বকাপ, ২০২১ থেকে কোপা আমেরিকা, বিশ্বকাপ, আবার কোপা আমেরিকা, এখন আবার বিশ্বকাপ—এভাবে কদিন পরপর যদি ফাইনালের টেনশন নেওয়া লাগে, একটা মানুষ কি সুস্থ থাকতে পারে? জীবনে এমনিতে সমস্যার শেষ নেই। তার মধ্যে এসব। ফাইনাল খেলব অনেক বছর পর একবার। এরকম মুড়ির মতো কদিন পরপরই যদি ফাইনাল খেলে, কেমন না ব্যাপারটা!’


পরে অন্য দলের সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ইরফান বলেন, ‘অবশ্য তোমরা তো এসব বুঝবে না। ফাইনাল কী জিনিস, ফাইনালের টেনশন কী জিনিস, এটা তো তোমরা জানোই না, দেখোনি। কেবল শুনেছো। আমাদের কাছ থেকে শোনো, প্রিয় দল ফাইনালে গেলে আমরা কী পরিমাণ মানসিক চাপের মধ্যে থাকি।’

তবে এবারের ফাইনাল নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন বলে জানান ইরফান সাজ্জাদ। তার ভাষ্য, ‘এই টেনশন নিতে নিতেও অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তবে একটা কথা, এখন আমরা খুব চিল মুডে আছি। আজ ফাইনাল, যে-ই জিতুক; ব্যাপার না। মেসির যেমন হারানোর কিছু নেই, পাওয়ার কিছু নেই। আমাদেরও তেমনই। আজ ফাইনাল জিতলে ভালো, না জিতলেও অসুবিধা নাই। কারণ পেয়ে গেছি তো সবকিছু। তারপরও জিতলে তো ভালোই। সুন্দর একটা ফাইনাল ম্যাচ হোক।’

 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

বিতর্ক এড়াতে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালে ৭ দেশের রেফারি

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চে নজর থাকবে শুধু লিওনেল মেসি বা লামিন ইয়ামালের দিকেই নয়, সমানভাবে থাকবে রেফারিং দলের দিকেও। স্পেন ও আর্জেন্টিনার মহারণ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। তবে আলোচনার বিষয় শুধু তার নিয়োগ নয়, পুরো অফিশিয়েটিং দলের বৈচিত্র্যও। ফাইনালের ১০ সদস্যের রেফারিং প্যানেলে প্রতিনিধিত্ব করছেন সাতটি ভিন্ন দেশের কর্মকর্তা।

বিশ্বকাপ ফাইনালের জন্য ভিনচিচকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তকে কিছুটা বিস্ময়কর বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ চলতি মৌসুমে ইউরোপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তার পারফরম্যান্স নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়েছে।

বিশেষ করে বায়ার্ন মিউনিখ বনাম রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গাকে লাল কার্ড দেখানোর সিদ্ধান্তের পর তিনি ব্যাপক সমালোচিত হন। এছাড়া ভিনচিচ স্লোভেনিয়ার নাগরিক হওয়ায় আরেকটি বিষয়ও আলোচনায় এসেছে। কারণ তিনি উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিনেরই স্বদেশি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চেফেরিন এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়।

ভিনচিচের সঙ্গে দুই সহকারী রেফারি হিসেবেও রয়েছেন তারই স্বদেশি টোমাজ ক্লানচনিক ও আন্দ্রাজ কোভাচিচ। চতুর্থ ও পঞ্চম কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জর্ডানের আধহাম মাখাদমেহ এবং মোহাম্মদ আলকালাফ। ডালাসে অবস্থিত ভিএআর কক্ষে প্রধান ভিএআর হিসেবে থাকবেন জার্মানির বাস্টিয়ান ড্যাঙ্কার্ট। তিনিই ভিএআর টিমের একমাত্র ইউরোপীয় কর্মকর্তা।

এছাড়া সহকারী ভিএআর হিসেবে থাকবেন কলম্বিয়ার নিকোলাস গায়ো। বিকল্প ভিএআর হিসেবে রয়েছেন কাতারের খামিস আল মারি, আর বিকল্প সহকারী ভিএআর হিসেবে থাকবেন নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজমান এবং মেক্সিকোর গিয়ের্মো পাচেকো।

এই রেফারিং দলে নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজমান একমাত্র নারী কর্মকর্তা। এবারের বিশ্বকাপে নারী রেফারিদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে সীমিত থাকলেও ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে তার অন্তর্ভুক্তি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

স্পেন-আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে তাই শুধু দুই দলের তারকারাই নন, সাত দেশের প্রতিনিধিত্বকারী এই বহুজাতিক রেফারিং দলও থাকবে বিশেষ নজরে। তাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তই ম্যাচের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।