শিরোনাম

পরীমণি-কাণ্ডে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে এডিসি সাকলায়েনকে চীনে তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে: আশিক চৌধুরী বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ৬৮ বছরের পুরোনো রেকর্ড আবারও দেখা গেল ২০২৬ বিশ্বকাপে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

পরীমণি-কাণ্ডে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে এডিসি সাকলায়েনকে

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চিত্রনায়িকা পরীমণির সঙ্গে রাত্রিযাপন ও অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় বিভাগীয় ব্যবস্থা হিসেবে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতকৃত প্রজ্ঞাপনের সারসংক্ষেপে এরই মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেছেন। এখন সারসংক্ষেপটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে। পরে রাষ্ট্রপতির আদেশে তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। শিগগির এসব প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

২০২১ সালের ৯ জুন রাতে সাভার থানার ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একই বছরের ১৪ জুন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন পরীমণি। সেই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন গোলাম সাকলায়েন। পরে একাধিক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে খবর বের হয়, সাকলায়েনের বাসায় পরীমণির যাতায়াত ছিল। ২০২১ সালের ১ আগস্ট সকালে পরীমণি নিজের গাড়ি নিয়ে সাকলায়েনের বাসায় যান এবং গভীর রাতে বেরিয়ে আসেন। গাড়ি থেকে নেমে তাদের দুজনের ওই বাসায় ঢোকা এবং বের হওয়ার ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়।

পরীমণির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর গোলাম সাকলায়েনকে ডিবি থেকে বদলি করা হয়েছিল। এ ছাড়া অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পায় ওই কমিটি। এরপর ২০২৪ সালের ১৩ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা-২ শাখার উপসচিব রোকেয়া পারভীন জুঁই স্বাক্ষরিত স্মারকে বিভাগীয় মামলায় তাকে গুরুদণ্ড হিসেবে চাকরি থেকে ‘বাধ্যতামূলক অবসর প্রদানে’র বিষয়ে সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের (পিএসসিতে) পরামর্শ চেয়ে চিঠি পাঠায়। পিএসসির মতামত নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। তাকে গুরুদণ্ড হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে।

পিএসসিতে পাঠানো শৃঙ্খলা শাখার ওই স্মারকে বলা হয়, ডিবি গুলশান বিভাগের এডিসি থাকাকালে নায়িকা পরীমণির সঙ্গে ঘটনাক্রমে দেখা এবং যোগাযোগ শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় তিনি নায়িকা পরীমণির বাসায় নিয়মিত রাত্রিযাপন করতে শুরু করেন। পুলিশ অধিদপ্তরের এলআইসি শাখা থেকে দেওয়া তার ফোনের সিডিআর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৪ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন সময়ে (দিনে ও রাতে) নায়িকা পরীমণির বাসায় অবস্থান করেছেন।

নায়িকা পরীমণির মোবাইল ফোনের ফরেনসিক রিপোর্ট (সিআইডি কর্তৃক মামলার আলামত হিসেবে জব্দকৃত) পর্যালোচনায় দেখা যায়, তার ও পরীমণির আদান-প্রদানকৃত মেসেজগুলো একই বছরের ২৯ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট সামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমণির ফেসবুক আইডি ও গোলাম সাকলায়েন সিথিল নামে ফেসবুক মেসেঞ্জারে কথোপকথন এবং তাদের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে (১১ জুলাই-৪ আগস্ট ২০২১) কথোপকথন সাধারণ পরিচিতি বা পেশাগত প্রয়োজনে স্থাপিত কোনো সম্পর্কের নয়; বরং অনৈতিক প্রেমের সম্পর্ক।

২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর সিআইডির ফরেনসিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ১ আগস্ট, ২০২১ তারিখে গোলাম সাকলায়েন তার পূর্বপরিকল্পনা ও সম্পূর্ণ জ্ঞাতসারে তার স্ত্রী না থাকা অবস্থায় নায়িকা পরীমণি তার রাজারবাগে সরকারি বাসায় যায় এবং প্রায় ১৭ ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করে, পরদিন ২ আগস্ট রাত ১টা ৩০ মিনিটে বাসা ত্যাগ করেন।

সাকলায়েন পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হয়ে সরকারি দায়িত্বের বাইরে নায়িকা পরীমণির সঙ্গে অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে। এতে বলা হয়, সাকলায়েন বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক। এর পরও পরীমণির সঙ্গে তার বিবাহবহির্ভূত অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, পরীমণির সঙ্গে জন্মদিন উদ্যাপন এবং নিজের সরকারি বাসভবনে নিজ স্ত্রীর অবর্তমানে সময় কাটানোর মতো ঘটনা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

গোলাম সাকলায়েনের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর দায়ে অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী জারি করা হয়। অভিযুক্ত কর্মকর্তা আনা অভিযোগের জবাব প্রদানপূর্বক ব্যক্তিগত শুনানি প্রার্থনা করেন। বিভাগীয় মামলাটি তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন) হায়াত-উদ-দৌলা খাঁনকে বলা হয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে মর্মে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সার্বিক পর্যালোচনার পর দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত না হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তা গোলাম সাকলায়েনকে একই বিধিমালার বিধি ৪-এর উপবিধি ৩(খ) বিধি মোতাবেক ‘গুরুদণ্ড’ হিসেবে চাকরি থেকে ‘বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান’-এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তবে এ ব্যাপারে সাকলায়েন ও পরীমণির কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। একাধিকবার ফোন করার পরও রিসিভ করেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

৬৮ বছরের পুরোনো রেকর্ড আবারও দেখা গেল ২০২৬ বিশ্বকাপে

বিশ্বকাপ ২০২৬-এ একটি ঐতিহাসিক দিন পার হলো। লস অ্যাঞ্জেলেসে স্টেডিয়ামে ইরান ও নিউজিল্যান্ড ২-২ গোলে ড্র করেছে। এই ম্যাচ একটি বিরল রেকর্ড গড়ে ফেলেছে। ৬৮ বছরের পুরোনো রেকর্ডের দেখা মিলল আবারও।

এই রেকর্ডে অবশ্য শুধু একারই ভাগ নেই ইরান-নিউজিল্যান্ডের। সোমবার বিশ্বকাপে চারটি ম্যাচ হয়েছে। চারটিই ড্র হয়েছে। স্পেন ও কেপ ভার্দে গোলশূন্য ড্র করেছে। বেলজিয়াম ও মিশর ১-১ গোলে ড্র করেছে। সৌদি আরব ও উরুগুয়ে ১-১ গোলে ড্র করেছে। আর ইরান ও নিউজিল্যান্ড ২-২ গোলে ড্র করে দিনটি শেষ করেছে।

একই দিনে সব ম্যাচ ড্র হওয়ার ঘটনা সর্বশেষ ঘটেছিল ৬৮ বছর আগে। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে সুইডেনে এমনটা হয়েছিল। সেই রেকর্ড এবার ভাঙল।

ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। মাত্র ৭ মিনিটে গোল করেন এলিজাহ জাস্ট। অধিনায়ক ক্রিস উডের দারুণ পাস থেকে বল পেয়ে তিনি জালে পাঠান। ইরান তবু দমে যায়নি। ৩২ মিনিটে রামিন রেজাইয়ান কাছ থেকে শট নিয়ে সমতা ফেরান। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে ইরানি সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়েন।

বিরতির পর ৫৪ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। ক্রিস উডের আরেকটি সহায়তায় জাস্ট তার দ্বিতীয় গোল করেন। ইরান গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দকে ফাঁকি দিয়ে শান্তভাবে বল জালে পাঠান তিনি।

কিন্তু ইরান আবারও হাল ছাড়েনি। ৬৪ মিনিটে মোহাম্মদ মুহিবি দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান। ম্যাচ আবার সমতায় ফেরে ২-২।

শেষ পর্যন্ত দুই দলই এক পয়েন্ট করে নিয়ে মাঠ ছাড়ে। তবে এই ম্যাচ শুধু ফলাফলের জন্য নয়, ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে ৬৮ বছরের পুরনো রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলার কারণেও।

১৯৫৮ বিশ্বকাপে যে দিনে এই কীর্তি গড়া হয়েছিল, কাকতালীয়ভাবে সে দিনটাও ছিল ১৫ জুন ১৯৫৮। 

তবে এক দিক থেকে এই দিনটি বিশ্বকাপ ইতিহাসে অনন্য। ৬৮ বছর আগে যে দিনে এই কীর্তি গড়া হয়েছিল, সেদিন আরও ৪টি ম্যাচ হয়েছে, সে ৪ ম্যাচেরই ফল বের হয়েছিল। এক দিনে সব ম্যাচ ড্রয়ের নজির নেই কোনো বিশ্বকাপেই। ফলে এদিক থেকে একটা বিরল রেকর্ডই হয়ে গেল ২০২৬ সালের ১৫ জুনে।