শিরোনাম

৪৬তম জন্মদিনেই ১ বছর পূর্ণ হলো সাবেক মেয়র রিটনের বন্দিজীবন নেত্রকোনার কলমাকান্দায় কিশোরের মাথা ন্যাড়া, নরসুন্দর গ্রেফতার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড জীবন-জীবিকার মান উন্নয়ন প্রচেষ্টা প্রশংসনীয় এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশ নিষেধ
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

জানি না এতো সম্পদ নিয়ে আমি কী করব: তামান্না

১৫ বছর বয়সে ‘চাঁদ সা রোশন চেহরা’ সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছেন তামান্না ভাটিয়া। এরপর অভিনয় জীবনের ২২টি বছর কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। ২০২৬ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রেমীদের কাছে অতি পরিচিত একটি নাম তামান্না ভাটিয়া।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অভিনয় করেছেন, ছবিতে আইটেম ডান্স করেছেন, একের পর এক পণ্যের বিজ্ঞাপনের মুখ হচ্ছেন, আবার তিনি নিজের ব্যবসাও চালাচ্ছেন। দুহাতে অর্থ উপার্জন করেছেন অভিনেত্রী। 

নিন্দুকেরা বলতেই পারেন, ৪০ বছরের উপান্তে এসে অর্থের পেছনে পাগলের মতো দৌড়াচ্ছেন অভিনেত্রী। কিন্তু তামান্না নিজে বলছেন, অর্থের প্রতি তার কোনো মোহই নেই। তিনি এসব কিছু করছেন, কেবল মাত্র একটি লক্ষ্যপূরণেই!

অভিনয় জীবনের ২২টি বছর কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। ২০২৬ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে তিনি অতি পরিচিত একটি নাম। তাই সেই অর্থে সফলও। তবে তামান্নার মোট সম্পত্তির পরিমাণ শুনলে চমকে যেতে হবে। সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রকাশ্যে আসা কিছু তথ্যে জানা গিয়েছে, তামান্না ১০০ কোটিরও বেশি অঙ্কের সম্পত্তির মালিক।

মুম্বাইয়ের অভিজাত এলাকায় তার একটি সাজানো গোছানো সমুদ্রমুখী বিরাট অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। যার বারান্দায় রয়েছে বিলাসবহুল জাকুজি। আছে ওয়াক ইন ক্লজেট। শুধু খাওয়ার জায়গাটির সাজসজ্জা দেখলেই বিস্মিত হতে হয়। দামি সব আসবাব আর চিত্রকলা তো রয়েছেই।

একা থাকেন। এতো সম্পদ নিয়ে করবেন কি? এক সাক্ষাৎকারে এ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তামান্না বলেছেন, জানি না এতো সম্পদ নিয়ে আমি কী করব। মৃত্যুর পর তো কেউ টাকা-পয়সা সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারে না। তবু আমার নিজের মধ্যে একটা ঝোঁক কাজ করে। আমি সেই ঝোঁকের মাথাতেই কাজ করতে থাকি। তার মানে এই নয় যে আমি টাকার পেছনে ছুটি।

চলতি বছরেই নিজের নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন তামান্না। তৈরি করেছেন লাক্সারি জুয়েলারি ব্র্যান্ড ‘তামান্না ফাইন জুয়েলারি’। অর্থাৎ সফল অভিনেত্রী এখন উদ্যোক্তাও। ফলে শ্রীবৃদ্ধিও দ্বিগুণ। অর্থের জন্য যদি এসব না-ই করে থাকেন, তবে কী জন্য করছেন? 

তামান্না বলেছেন, আমার একটা অদ্ভুত লোভ আছে। আমি নিজেকে নতুন নতুন ভূমিকায় দেখতে ভালবাসি। আমি নিজের কাজের পরিধিকে আরও ছড়িয়ে দিতে ভালবাসি। আর এটাও মনে করি যে, কোনো কাজ করলে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে বৃহত্তর ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। আমি সেটাই করি। অর্থাৎ তামান্না নিজের কাজ করতে থাকেন, শ্রীবৃদ্ধি আপনিই হতে থাকে।

তামান্নার দর্শনের সঙ্গে ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার আমির খান অভিনীত রাঞ্ছোড়দাস চাঁচড়ের সংলাপের বড্ড মিল। সেও বলেছিল, বেটা কাবিল বন, কামইয়াবি ঝক মারকে পিছে ভাগেগি। অর্থাৎ যোগ্য হও, তাহলে সাফল্য এবং শ্রীবৃদ্ধি নিজেই এসে ধরা দেবে।


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

৩ জায়গা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন স্কালোনি

জর্ডানের বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয়ের পর গ্রুপ জে-তে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করেছে আর্জেন্টিনা। এরপর একদিন বিশ্রাম শেষে সোমবার থেকে আবার অনুশীলন শুরু করবে দলটি। শুক্রবার রাউন্ড অব ৩২-এ কেপ ভার্দের বিপক্ষে নামার আগে একাদশ নিয়ে কোচ লিওনেল স্কালোনির সামনে এখন তিনটি বড় প্রশ্ন।

অনুশীলন সপ্তাহ শুরু হওয়ার আগেই রক্ষণ ও আক্রমণ — দুই জায়গাতেই দ্বিধা রয়ে গেছে। সবচেয়ে বড় উদ্বেগ সেন্টার ব্যাক পজিশন নিয়ে। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ডান হাঁটুতে আঘাত পান ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো। বিশ্বকাপের আগেও একই হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন তিনি। জর্ডান ম্যাচে তাকে বিশ্রামে রাখা হয়। সুখবর হলো, ফোলা ছাড়া তার তেমন বড় চোট নেই। তবে তার অবস্থা বুঝে নিতে হবে কোচিং স্টাফকে।

তার সুস্থতা ভালোভাবেই এগোচ্ছে, ফোলাও কমেছে। তবে সামনে কী হবে, তা নির্ভর করছে তার অগ্রগতির ওপর। সোমবার একটি ভালো লক্ষণ দেখা গেছে। প্রথমবারের মতো দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন তিনি। কোচিং স্টাফ যদি তাকে আবার বিশ্রামে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের সঙ্গে সেন্টার ব্যাকে জুটি বাঁধবেন নিকোলাস ওতামেন্দি। লিওনেল মেসির অনুপস্থিতিতে জর্ডান ম্যাচে দলের অধিনায়কত্বও করেছিলেন তিনি।

দ্বিতীয় বড় প্রশ্ন আক্রমণভাগ নিয়ে। মেসির সতীর্থ কে হবেন, সেটাই এখানে মূল বিষয়। শনিবার বিকল্প খেলোয়াড় হিসেবে নেমেছিলেন যিনি, তিনিই হয়তো একাদশে ফিরবেন। বিশ্বকাপের আগে স্কালোনির পরিকল্পনা ছিল, নকআউট পর্ব থেকে হুলিয়ান আলভারেজই হবেন মূল স্ট্রাইকার। কাতারের শেষ পর্বের মতো তার এই ভূমিকা ছিল আগে থেকেই ঠিক করা।

তবে গোড়ালির চোট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর প্রথম দুই ম্যাচে বিকল্প হিসেবে থাকা কর্দোবার এই খেলোয়াড় প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় নিচ্ছেন ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পেতে। অন্যদিকে লাউতারো মার্তিনেজ সম্প্রতি পেনাল্টি থেকে গোল করেছেন, যেটি তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের প্রথম গোল।

তাই কোচিং স্টাফ তাদের ভাবনা বদলায় কি না, সেটাই দেখার বিষয়। তবে স্কালোনির প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল, আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেলে হুলিয়ানই খেলবেন। কারণ লাউতারো মার্তিনেজের চেয়ে তার খেলার ধরন আলাদা।

তৃতীয় প্রশ্নটি লেফট ব্যাক পজিশন নিয়ে। তবে এই বিষয়ে কোচের মনে হয়তো আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া আছে। হন্ডুরাসের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে নিকোলাস তালিয়াফিকোর মাংসপেশিতে চোট লাগার পর প্রথম দুই ম্যাচে শুরু করেন ফাকুন্দো মেদিনা। নিজের স্বাভাবিক পজিশন না হলেও বেশ ভালো খেলেছেন তিনি।

তবে অলিম্পিক লিওঁর এই খেলোয়াড় জর্ডান ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন। তাই একাদশে তাকে ধরে রাখাটাই স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত হবে বলে মনে হচ্ছে।