শিরোনাম

চল্লিশের পরও সুন্দর থাকতে কুসুমের চার মন্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা যুদ্ধের মূল্য পুরো বিশ্বকে দিতে হচ্ছে: ইরান শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে শেষ চারের পথ কঠিন করল বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে ৩৫০ গাড়ির লংমার্চ হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আসন্ন উপজেলা নির্বাচনের বিধিমালা জারি, পোস্টার-মিছিলসহ যেসব বিষয় নিষিদ্ধ হলো
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া—মানবপাচারের পর মুক্তিপণ আদায়

মানবপাচার চক্রের মূল হোতা মাদারীপুরের তাবিবুর রহমান ওরফে স্বপন মোল্লার নেতৃত্বে লিবিয়ার প্রধান মাফিয়া আশিক ওরফে ইমরান শেখ, বাংলাদেশি হাসান, বিষু মন্ডল, বাবু মোল্লা, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের সম্রাট শেখ ও কালু শেখের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে লিবিয়ায় নির্যাতনের ভিডিও করে পরিবার থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে ইউরোপে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মানবপাচারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সাম্প্রতিক সময়ে লিবিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের আটক, নির্যাতন এবং পাচারকারীদের হাতে বন্দিত্বের ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। গত ১৮ আগস্টও লিবিয়ার গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফেরেন। (BSS⁠)

BMF News-এর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভয়াবহ এক অভিযোগের চিত্র। ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দাবি, ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাসে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পথে লিবিয়ায় নেওয়ার পর কিছু বাংলাদেশিকে আটকে রাখা হয়। এরপর তাঁদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে সেই নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে।

পরিবারের কাছে পাঠানো এসব ভিডিও ও ফোনকলের মাধ্যমে স্বজনদের ভয় দেখিয়ে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোনো কোনো পরিবারের কাছ থেকে কয়েক দফায় লাখ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী ও তাঁদের স্বজনদের অভিযোগে উঠে এসেছে মাদারীপুরের তাবিবুর রহমান ওরফে স্বপন মোল্লার নাম। তাঁর নেতৃত্বে লিবিয়ায় একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচার সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে অভিযোগ।

এই অভিযোগে আরও যাদের নাম এসেছে তারা হলেন—লিবিয়ার আশিক ওরফে ইমরান শেখ, বাংলাদেশি হাসান, বিষু মন্ডল, বাবু মোল্লা, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের সম্রাট শেখ এবং কালু শেখ।

তবে প্রতিবেদনে উল্লিখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ স্বাধীনভাবে আদালতে প্রমাণিত হয়েছে—এমন দাবি করা হচ্ছে না। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।

স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, লিবিয়ায় আটকে থাকা ব্যক্তিদের ওপর নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে তা পরিবারের কাছে পাঠানো হয়। ভিডিওতে স্বজনদের কান্নাকাটি, মারধর কিংবা শারীরিক নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে দ্রুত টাকা পাঠানোর চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ।

পরিবারগুলো অনেক সময় আতঙ্কের মধ্যে জমি-জমা বিক্রি, ধারদেনা কিংবা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দাবি করা অর্থ পাঠাতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন স্বজন।

লিবিয়া হয়ে ইউরোপে যাওয়ার পথে বাংলাদেশিদের পাচার ও আটকে রাখার বিষয়টি যে বাস্তব ও গুরুতর সমস্যা, সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনেও তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মে মাসে পূর্ব লিবিয়ার কর্তৃপক্ষ মানবপাচারকারীদের হাতে বন্দি ১২০ অভিবাসীকে উদ্ধারের কথা জানিয়েছিল; একই সময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাও প্রকাশ্যে আসে।

অনুসন্ধানে এমন পরিবারের সন্ধান পাওয়ার দাবি করা হচ্ছে, যাদের স্বজনরা লিবিয়ায় যাওয়ার পর দীর্ঘদিন নিখোঁজ বা যোগাযোগের বাইরে রয়েছেন। The Daily Star-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে শারিয়তপুর ও মাদারীপুরের অন্তত ২৩ তরুণের নিখোঁজ থাকার কথা উঠে এসেছে; তাঁদের পরিবার জানে না তারা ডিটেনশন সেন্টারে, পাচারকারীদের আস্তানায় নাকি ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ হয়েছেন।

অন্যদিকে, জুলাই মাসেও ১৭১ বাংলাদেশি নাগরিককে লিবিয়া থেকে দেশে ফেরানো হয়। তাঁদের প্রত্যাবাসন বাংলাদেশ সরকার, লিবীয় কর্তৃপক্ষ ও IOM-এর সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়।

BMF News-এর অনুসন্ধানের পরবর্তী ধাপে খতিয়ে দেখা হচ্ছে—বাংলাদেশে কারা এসব যাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে, কীভাবে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়, লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর কারা তাঁদের গ্রহণ করে, কোথায় তাঁদের আটকে রাখা হয় এবং পরিবারের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ কোন মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়।

এ ছাড়া ভুক্তভোগীদের পাঠানো ভিডিও, অডিও রেকর্ড, মোবাইল নম্বর, টাকা পাঠানোর রসিদ, বিকাশ/ব্যাংক লেনদেনের তথ্য, পাসপোর্ট ও ভ্রমণসংক্রান্ত নথি সংগ্রহ করে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

BMF News-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসছে—মানবপাচারের এই নেটওয়ার্ক কীভাবে বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত, কারা এর সঙ্গে যুক্ত এবং কীভাবে নির্যাতন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
 

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

চল্লিশের পরও সুন্দর থাকতে কুসুমের চার মন্ত্র

জীবনের চার দশক পেরিয়েছেন নন্দিত অইনেত্রী কুসুম শিকদার। অথচ দেখে বোঝার উপায় নেই! কিন্তু তার লাইফস্টাইল আজকে তাকে এনে দিয়েছে এই রূপেই। তবে কি শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়েই ভাবেন এই এই অভিনেত্রী? তা নয়। তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মানসিক সৌন্দর্য; যা থেকে আসে প্রশান্তি। তাই জীবনটা কীভাবে সুখে কাটানো যায়, প্রফুল্ল থাকা যায়; নিজের সে দর্শনই এবার ভক্তদের মাঝে ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করেন কুসুম শিকদার। যেখানে তাকে দেখা যায় এক স্নিগ্ধ রূপে। যেন বয়সে চল্লিশের ঘরকে বুড়ো আঙুল দেখালেন তিনি। সেখানেই দিলেন বিশেষ পরামর্শ, বার্তা।

চল্লিশোর্ধ্ব বয়সে মানসিক প্রশান্তি ও সুন্দর থাকার মন্ত্র হিসেবে প্রথমেই ইতিবাচক মানসিকতার ওপর জোর দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার মতে, কাউকে ঘৃণা না করে শুধু ভালোবেসে যেতে হবে। তবে নিজের মনকে কলুষিত হওয়া থেকে বাঁচাতে জীবন থেকে নেতিবাচক মানুষ বা নেতিবাচক চিন্তা বাদ দেওয়ার ওপর তাগিদ দেন তিনি।

চার মন্ত্র উল্লেখ করে কুসুম শিকদার লেখেন, ‘চল্লিশ উর্ধ্ব জীবনে খুশি এবং সুন্দর থাকার মূল মন্ত্র হলো- এক, ঘৃণা করা যাবে না, শুধুই ভালোবাসতে হবে। তবে নেতিবাচক শক্তির সঙ্গ পরিত্যাগ করতে হবে, তা না হলে মন কলুষিত হবে। এরপর লেখেন, ‘অবমূল্যায়ন বা অসম্মানের সম্ভাবনা যেখানে, না যাওয়াই ভালো সেখানে।‘ অভিনেত্রীর তৃতীয় মূলমন্ত্র হলো, ‘মুগ্ধ হওয়ার ক্ষমতা এবং রোজ নতুন কিছু শেখার আগ্রহ রাখতে হবে।‘ শেষে অভিনেত্রী লেখেন, ‘প্রায়ই প্রকৃতির কাছে যেতে হবে।’

পোস্টটি প্রকাশ হওয়ার সঙ্গেই মন্তব্য ঘরে কুসুম শিকদারের এমন চিন্তাধারার প্রশংসায় মেতেছেন তার অনুরাগী ও নেটিজেনরা। ভক্তদের অনেকেই মন্তব্য করে জানান, অভিনেত্রীর দেওয়া এই চার বার্তা শুধু চল্লিশ পেরোনোদের জন্য নয়, বরং যেকোনো বয়সেই সুখী ও মানসিকভাবে সুস্থ জীবনের জন্য এক দারুণ পথপ্রদর্শক।

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে শেষ চারের পথ কঠিন করল বাংলাদেশ

সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হওয়া এড়াতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়কে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে পারেননি ব্যাটাররা। ব্যাটিংয়ে ব্যর্থতার পর শেষ পর্যন্ত বোলারদের লড়াইও কাজে আসেনি।

শ্রীলঙ্কার কাছে ৪ উইকেটে হেরে নারী এশিয়া কাপের শেষ চারে ওঠার পথ কঠিন করে ফেলেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।

রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১১৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে ৪ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় শ্রীলঙ্কা।

এই হারে বাংলাদেশের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার জয়ধারা আরও দীর্ঘ হলো। টানা সাত ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতেছে লঙ্কানরা। ২০২৩ সালের মে মাসের পর থেকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আর জয় পায়নি বাংলাদেশ। দুই দলের ১৭ বারের মুখোমুখি লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কার জয় এখন ১৪টি।

টানা তিন ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। অন্যদিকে বাংলাদেশের শেষ চারে ওঠা এখন নির্ভর করছে পরের ম্যাচের ওপর। আগামী মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারাতে পারলেই সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে জ্যোতিদের।

১১৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকান শ্রীলঙ্কার ইমেশা দুলানি। তবে প্রথম ওভার শেষ হওয়ার আগেই চামারি আতাপাত্তুকে ফিরিয়ে দেন মারুফা আক্তার। পরের ওভারের শেষ বলেও দারুণ ডেলিভারিতে দুলানিকে বোল্ড করেন এই পেসার।

পাওয়ার প্লের শেষ বলে সঞ্জনা কাভিন্দিকে ফেরান সুলতানা খাতুন। এরপর শ্রীলঙ্কার ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। নবম ওভারে এসে উইকেটের দেখা পান রিতু মনি। পরের ওভারে সরাসরি থ্রোয়ে কাভিশা দিলহারিকে রানআউট করেন ফাহিমা খাতুন।

এক পর্যায়ে মাত্র ৪৪ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচে বেশ চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। তবে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ান হর্শিতা সামারাবিক্রমা ও নীলক্ষ্মী ডি সিলভা। ষষ্ঠ উইকেটে দুজনের ৩৮ রানের জুটি শ্রীলঙ্কাকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে।

১৭তম ওভারে আবার আক্রমণে ফিরে নীলক্ষ্মীকে বোল্ড করেন মারুফা। ১৮তম ওভারের শুরুতে শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল ২৯ রান। তখনই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন হর্শিতা। রিতু মনির ওভারের প্রথম তিন বলেই একটি চার ও একটি ছক্কাসহ ১২ রান তুলে নেন তিনি। পুরো ওভার থেকে আসে ১৬ রান, ফলে সমীকরণ নেমে আসে দুই ওভারে ১৩ রানে।

১৯তম ওভারের শেষ বলে নাহিদা আক্তারের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে শ্রীলঙ্কার জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন হর্শিতা। শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় ২ রান তুলতে কোনো সমস্যাই হয়নি লঙ্কানদের।

৪টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৩৭ বলে অপরাজিত ৪৮ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার পান হর্শিতা। বাংলাদেশের হয়ে ২১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন মারুফা আক্তার।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে ভালো সূচনা পেয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম চার ওভারে কোনো উইকেট হারাননি দুই ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা ও দিলারা আক্তার দোলা। তবে পঞ্চম ওভারে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে উইকেট হারান জয়িতা। তিন চারে ১০ বলে ১৪ রান করেন তিনি।

পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পর আউট হন দিলারাও। চারটি চারের সাহায্যে ২৬ বলে ২৬ রান আসে তার ব্যাট থেকে। এরপর অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। চার নম্বরে নেমে ৯ বলে মাত্র ৪ রান করে ফেরেন তিনি।

চতুর্থ উইকেটে সোবহানা মোস্তারি ও স্বর্ণা আক্তার ৪০ বলে ৪১ রানের জুটি গড়ে দলকে সাময়িকভাবে সামলে নেন। এই জুটিতে মূল ভূমিকা ছিল সোবহানার। ২০ রানে জীবন পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। চারটি বাউন্ডারিতে ৪১ বলে ৩৪ রান করেন সোবহানা।

স্বর্ণার ব্যাট থেকে আসে ১৪ বলে ৯ রান। শেষ ওভারে পরপর রিভার্স সুইপ ও প্যাডেল সুইপে দুটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে বাংলাদেশের স্কোর কিছুটা লড়াইয়ের পর্যায়ে নিয়ে যান ফাহিমা খাতুন।

শ্রীলঙ্কার হয়ে চামুদি প্রবোদা ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। সুগন্ধিকা কুমারি ৪ ওভারে একটি মেডেনসহ ২২ রান খরচ করে নেন ২ উইকেট।