শিরোনাম

নিষেধাজ্ঞা এড়াতে লবিংয়ে ব্যস্ত স্বনামধন্য এক ক্রিকেটার: আসিফ মাহমুদ বাংলাদেশ ইতিহাস ঐতিহ্য অনুসন্ধান ও গবেষণা কেন্দ্রের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন প্রকৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে গড়ে উঠছে আধুনিক ডিসি পার্ক: চট্টগ্রামের ডিসি দোকান ও মার্কেট বন্ধের সময় নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ‘জুলাই সনদ’ ইস্যুতে আজ উত্তপ্ত হতে পারে সংসদ
ছবি: সংগৃহীত।

আ.লীগ সরকার পতনের দিন বঙ্গভবনে কী ঘটেছিল, জানালেন রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনটা জনবিস্ফোরণে রূপ নেয়। সেদিন কেউই আঁচ করতে পারেনি যে কী হতে চলেছে। সম্প্রতি বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সেই দিনের স্মৃতিচারণা করেন।


রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘যখন বিক্ষোভকারীরা গণভবন অভিমুখে, তখন আমাকে জানানো হলো, যেকোনো মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন। ১২টার সময় আমাকে জানানো হলো, উনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন বঙ্গভবনে আসার। এর আগে আমরা আঁচই করতে পারিনি যে আসলে ঘটনা কী ঘটতে যাচ্ছে। তবে উনি যখন এখানে আসবেন বলছেন এবং হেলিকপ্টারও রেডি, তখন আমরা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করতে পারি।’


‘এখানে সিকিউরিটি যারা ছিল, সবাই পজিশন নিয়ে নিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানানো হলো, না, উনি আসছেন না। আসছেন না যখন জেনেছি, তখন আমরাও সতর্ক ছিলাম। কিছুক্ষণ পরেই শুনলাম, উনি দেশ ছেড়েছেন। একসময় জানতে পারলাম, উনি অলরেডি দেশের বাইরে চলে গেছেন। সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহের খুব দ্রুত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছিলাম।’


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘সেদিন বিকেল ৩টার দিকে প্রথমে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আমাকে টেলিফোনে সব ঘটনা অবহিত করেন। সশস্ত্র বিভাগ থেকেও আমাকে জানানো হয়। পরে জানানো হলো, ওয়াকার সাহেব সাংবাদিকদের সামনে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে একটা ব্রিফিং দেবেন।’


‘উনি ব্রিফিং দিলেন, আমরা টেলিভিশনে দেখলাম। উনি বললেন, প্রধানমন্ত্রী দেশত্যাগ করেছেন। তো দেশবাসী আশ্বস্ত হলো যে উনি অলরেডি দেশান্তরী হয়েছেন। তারপর আমাকে সেনাপ্রধান ফোন করে জানালেন যে তারা আসছেন। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী প্রধান—তিনজনই বঙ্গভবনে এলেন। এসে আমার সঙ্গে উদ্ভূত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসলেন।’
‘তখন আমাদের প্রায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা। কী করা যায়, কিভাবে কী হবে—এসব নিয়ে আমরা আলোচনা করলাম প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা। সিদ্ধান্ত হলো, সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে ডাকা হবে। এই কাজে সেনাবাহিনীর টিম নিযুক্ত ছিল। তারপর উনারা চলে গেলেন। সেনা সদরে দেশের রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে একত্র করা হলো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যেও কেউ কেউ ছিল। তখন যাদের পাওয়া গেছে, তাদেরকে নিয়েই আবার তারা বঙ্গভবনে আসেন। আমরা আবার বৈঠকে বসি।’


‘বঙ্গভবনের এই বৈঠকে আমরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছি। কিভাবে, কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে দেশের মানুষকে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার আয়োজন হয়। আমার সভাপতিত্বে সভা হলো। সেনাপ্রধান সঞ্চালনা করলেন। সেখানে তিনি পুরো পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিলেন।’


রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সেই বৈঠকে সম্মিলিতভাবে কয়েকটি প্রস্তাব আসে। বিশেষ করে, মূল তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এগুলো হলো—তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার। যে নামেই ডাকা হোক না কেন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থাকবে অভিন্ন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বললে হয়তো ওয়ান-ইলেভেনের মতো শোনায়। আবার সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার বললে দীর্ঘমেয়াদি সরকারও হয়ে যেতে পারে। তো, নানা বিবেচনায় আমাদের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা সিদ্ধান্ত নেন যে অন্তর্বর্তী সরকারই গঠন করা উচিত।’


‘এই সিদ্ধান্ত হলো আর আমার ওপর দায়িত্ব পড়ল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে জাতিকে আশ্বস্ত করার। আর তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সব ঠিক করবেন সরকারের গঠন প্রণালীটা। এই সিদ্ধান্ত হওয়ার পর প্রফেসর আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের কাছে পরিস্থিতির অগ্রগতি তুলে ধরেন। আমাকে ভাষণ দিতে হলো রাত ১১টার সময়। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়া তাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হলো। সেনাবাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আলাপ করে এটা করবেন। সেনাবাহিনী থাকবে, সহায়তা করবে সব কিছুতে।’
সূত্র : কালের কণ্ঠ।
 

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

বুবলীর নতুন ছবি, বাড়ল জল্পনা!

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা শবনম বুবলী সাম্প্রতিক সময়ে নিজেকে অনেকটা আড়ালে রেখেছেন। কোনো ইভেন্ট বা শোরুম উদ্বোধনেও তার দেখা মিলছে না। এই আড়ালে থাকার কারণেই নেটিজেনদের মধ্যে নানা গুঞ্জন দানা বেঁধেছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার জল্পনা। 

কেউ কেউ ধারণা করছিলেন, এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন নায়িকা। হঠাৎ করে বুবলীর এই রহস্যময় আড়াল হয়ে যাওয়া এবং গুঞ্জন তার দর্শক-ভক্তদের কৌতূহলের তুঙ্গে নিয়ে গেছে। তার ভক্তদের একটি বড় অংশ অপেক্ষা করছেন, কবে ভূমিষ্ঠ হবে বুবলীর দ্বিতীয় সন্তান। অথচ এ বিষয়ে বুবলী এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেননি, যা জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে।

এমন এক সময়েই সামাজিক মাধ্যমে এক নতুন ফটোশুটে নিজেকে মেলে ধরলেন বুবলী। তার বৈশাখী সাজের এই ছবিগুলো মুহূর্তেই ভক্তদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ছবিতে বুবলী একটি লাল-সাদা রঙের শাড়ি পরে আছেন। তবে ভক্তদের নজর শুধু তার সৌন্দর্যে নয়, শাড়ি পরার অভিনব কৌশলেও আটকে গেছে। ছবির নিচে ভক্তদের মন্তব্যগুলোও এই কৌতূহলকে আরও স্পষ্ট করেছে।

ছবির সৌন্দর্যের প্রশংসার পাশাপাশি অনেকের মন্তব্যেই তার মাতৃত্বের গুঞ্জনের ছাপ দেখা গেছে। মন্তব্যের একটি অংশ জুড়ে রয়েছে ‘বেবিবাম্প’ বা মাতৃত্ব নিয়ে জিজ্ঞাসা। নেটিজেনদের কেউ কেউ সরাসরি প্রশ্ন করেছেন, ‘বেবিবাম্প কোথায়?’ বা ‘প্রেগনেট অবস্থায় এত সৌন্দর্য’ কীভাবে থাকে।

অনেকে আবার ধারণা করছেন, সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার খবর কবে আসবে। আবার শাড়ি পরার বিশেষ ধরন দেখে অনেকে মনে করছেন, নায়িকা হয়তো কিছু আড়াল করতে চাইছেন।

উল্লেখ্য, শবনম বুবলী ২০১৮ সালের ২০ জুলাই মেগস্টার শাকিব খানকে বিয়ে করেন। এরপর ২০২০ সালের ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করে শাকিব ও বুবলীর একমাত্র সন্তান শেহজাদ খান বীর। যদিও তাদের বর্তমান সম্পর্ক নিয়ে খানিক ধোঁয়াশা থাকলেও বুবলীকে নিজের সন্তানের মা হিসেবে পরিচয় দিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন শাকিব। 


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

নিষেধাজ্ঞা এড়াতে লবিংয়ে ব্যস্ত স্বনামধন্য এক ক্রিকেটার: আসিফ মাহমুদ

সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, অবৈধভাবে বোর্ড ভাঙার প্রক্রিয়ায় আইসিসি যেন কোনো ব্যবস্থা না নেয় তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একজন স্বনামধন্য ক্রিকেটার লবিংয়ে ব্যস্ত।

রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ বলেন, ওই ক্রিকেটার সম্প্রতি সাবেক বিসিবি প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে লন্ডনে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তিনি আইসিসি প্রেসিডেন্ট অমিত শাহ পুত্র জয় শাহের সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করে দিতে নাজমুল হাসান পাপনকে অনুরোধ জানান।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বোর্ড ডিরেক্টরদের পরের বোর্ডে ডিরেক্টর পদের লোভ, লোভে রাজি না হলে ভয় দেখিয়ে পদত্যাগ করাচ্ছেন বলে আরেকটি পোস্টে দাবি তোলেন আসিফ মাহমুদ।

বোর্ডে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়টি টেনে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘বিসিবি নির্বাচনের সময় আগেও বিরাট কোহলির মাধ্যমে জয় শাহকে রিচ করার চেষ্টার বিষয়ে বলেছিলাম। অবৈধভাবে বোর্ড ভেঙে দেওয়ার ক্ষেত্রে আইসিসি থেকে সম্ভাব্য ফাইনান্সিয়াল ব্যান কিংবা অন্য কোন ধরনের ব্যবস্থা যেন গ্রহণ না করা হয়, সেটা নিশ্চিত করতে জয় শাহকে অনুরোধ জানাতেই এসব লবিং। ইতোপূর্বে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে আইসিসির কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নজির আছে।’

আসিফ মাহমুদ আরও লেখেন, ‘আমি জাতীয়ভাবে গণভোট, জুলাই সনদ, অধ্যাদেশ বাতিল সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে ব্যস্ত থাকায় বিসিবির ব্যাপারে কিছু বলবো না ভেবেছিলাম। কিন্তু, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আবারো পার্শ্ববর্তী দেশ এবং ফ্যাসিবাদের দোসরদের অন্তর্ভুক্তির পায়চারার খবর শুনে মনে হলো দেশবাসীর এসব জানা থাকা উচিত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার কি এসব বিষয়ে অবগত? নাকি সবাই মিলেই হচ্ছে সবকিছু।’

রোববার সকালে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ এনএসসি তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে বিসিবির উপর তদন্ত করছে মন্ত্রণালয়।