শিরোনাম

বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে ফি নেওয়ার খবর নাকচ করল হুথিরা গালাগালির অভিযোগ তুলে গভীর রাতে হঠাৎ মোদির ভিডিও বার্তা বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করলেন ফিফা সভাপতি হু হু করে বাড়ছে কাঁচামরিচের দাম ওই গদি আপনার না, এই গদি আমাদের, বাংলাদেশের জনগণের: প্রধানমন্ত্রীকে পাটোয়ারী
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

বিয়ে এবং মামলার বিষয়ে ফের মুখ খুললেন পরীমনি

দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি সাম্প্রতিক এক সংবাদ সম্মেলনে আলাপচারিতায় নিজের ব্যক্তিগত জীবন, আইনি লড়াই এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।

এ সময় তিনি অতীতের গ্রেপ্তার, চলমান মামলা, বিয়ে এবং দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

পরীমনির দাবি, তাকে যখন বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তখন সংশ্লিষ্টদের কাছে কোনো সার্চ ওয়ারেন্ট বা গ্রেপ্তারের অনুমতি ছিল না। তিনি বলেন, তাকে কী কারণে নিয়ে যাওয়া হবে, তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দ্বিধায় ছিলেন এবং সাংবাদিকদের সামনে কী বলা হবে, সে বিষয়ে বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন।

বর্তমানে চলমান মামলাকে তিনি ‘মিথ্যা মামলা’ বলে দাবি করেন। পরী বলেন, কখনো কাউকে ব্ল্যাকমেইল বা হয়রানির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। দীর্ঘ সময় পর সত্য সামনে আসতে শুরু হয়েছে। আমার মনে হচ্ছে গাছ থেকে সমস্ত বোঝা নেমে গেছে। তিনি আরও জানান, দেশের বিচারব্যবস্থার ওপর তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। প্রয়োজন হলে বছরের পর বছর আদালতে হাজিরা দিতেও তিনি প্রস্তুত, কারণ তিনি ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় আছেন।

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে পরীমনি বলেন, বিয়ে নয়, আমি একাই ভালো আছি। আর ভক্তরাও আমাকে কোনো পুরুষের সঙ্গে নয়, বরং বাচ্চাদের সঙ্গেই বেশি দেখতে পছন্দ করেন। পুনরায় বিয়ের সম্ভাবনা নিয়ে রসিকতা করে পরীমনি জানান, তার ছেলে বড় হয়ে যদি কখনো তাকে বিয়ের পরামর্শ দেয় বা নিজে উদ্যোগ নেয়, তখনই তিনি বিষয়টি বিবেচনা করবেন। শেষদিকে পরীমনি দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, শুধু শিল্পী নয়, রিকশাচালক থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সব ধরনের হয়রানি ও হেনস্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।
 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করলেন ফিফা সভাপতি

সাম্প্রতিক বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।ফিফা প্রধানের মন্তব্যের সূত্রে স্কাই নিউজের বরাতে শনিবার (১ আগস্ট) আনাদুলু এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইনফান্তিনো বলেন, এই প্রস্তাবটি আর অগ্রসর হবে না। উদ্যোগটি এতটাই বিতর্কিত হয়ে উঠেছে যে তা আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, প্রকল্পটি এক ধরণের বিভাজন তৈরি করেছে। আমাদের উদ্দেশ্য ফুটবলের উন্নতি। ফিফার লক্ষ্য অপরিবর্তিত রয়েছে।

ইনফান্তিনো আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে পুনরায় একত্রিত করতে চাই। আমার লক্ষ্য হলো সর্বত্র ফুটবলের প্রসার অব্যাহত রাখা, বিশেষ করে সেই দেশগুলোতে যাদের আমাদের সমর্থন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, এক প্রতিবেদন অনুসারে বাতিল হওয়া পরিকল্পনাটিতে ২০ বিলিয়ন ডলারের নতুন ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ সাবসিডিয়ারির ২০ শতাংশেরও বেশি শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করার কথা ছিল।

৫৬ বছর বয়সী ইনফান্তিনো চলতি বছরের বিশ্বকাপ চলাকালীন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য বারবার চেষ্টা করেন, যার মধ্যে ডিসেম্বরে তাঁকে ফিফার প্রথম শান্তি পুরস্কার প্রদানও অন্তর্ভুক্ত ছিল।