শিরোনাম

৯০-এর দশকের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা জানালেন কুমার শানু গাংনীতে মোটর সাইকেল চুরির অভিযোগে চাচার হাসুয়ার কোপে ভাতিজার মৃ/ত্যুর অভিযোগ সিজদায় নাক মাটিতে না লাগালে কি নামাজ হবে? বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি, মামলা সরাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জনসন্স ‘ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুসকে বিক্রি করে দেওয়া উচিত’
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

৯০-এর দশকের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা জানালেন কুমার শানু

কর্মজীবনের অন্যতম অস্বস্তিকর ও ভীতিকর অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কুমার শানু। সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে তিনি জানান, ৯০-এর দশকে দুবাইয়ে এক ‘আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন’-এর ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে তাকে গান গাইতে বাধ্য করা হয়েছিল।

সে সময় বলিউডে অপরাধচক্রের মারাত্মক প্রভাব থাকায় নিজের নিরাপত্তা নিয়ে চরম আতঙ্কে ছিলেন তিনি। দুবাইয়ের সেই ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে গান গাইতে গিয়ে মনে মনে প্রচণ্ড ভয় পেয়েছিলেন শানু। তবে পেশাগত কারণে ও নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে তাকে সেই অনুষ্ঠানটি শেষ করতে হয়েছিল। সংগীতশিল্পী জানান, সেই সময়ে পরিস্থিতি এখনকার মতো ছিল না।

প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে আসা অনুষ্ঠান গাওয়ার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার কোনো সুযোগ বা সাহস কারো থাকত না। টি-সিরিজের প্রতিষ্ঠাতা গুলশান কুমারের নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে শানু বলেন, সেই সময়ের ভয়ার্ত পরিস্থিতি তিনি খুব কা্ছে থেকে দেখেছেন। তাই কোনো ঝুঁকির মধ্যে না গিয়ে আন্ডারওয়ার্ল্ড থেকে আসা গান গাওয়ার অনুরোধগুলো মেনে নেওয়াকেই তখনকার সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ওই প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কয়েকজনের সঙ্গে তার কাজের খাতিরে কিছুটা সুসম্পর্ক তৈরি হয়।

এমনকি কোনো সমস্যায় পড়লে শানুকে সাহায্য করার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন তারা। তবে শানু কখনোই সেই সাহায্য নিতে চাননি। তাদের পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, ‘আমার দেখাশোনা করার প্রয়োজন নেই, আমি নিজের দায়িত্ব নিজেই নিতে পারব।’
 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

‘ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুসকে বিক্রি করে দেওয়া উচিত’

ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে দলে ভেড়াতে আগ্রহী ইংলিশ ক্লাব আর্সেনাল—এমন গুঞ্জনের মধ্যেই তাকে বিক্রি করে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক ফুটবলার কার্লোস গঞ্জালেস। তার দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভিনিসিয়ুসকে দলে ধরে রাখার চেয়ে মোটা অঙ্কের ট্রান্সফার ফির বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়াই রিয়াল মাদ্রিদের জন্য সবচেয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত হতে পারে।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা-র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিনিসিয়ুসের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র এক বছর বাকি। ক্লাব-ঘনিষ্ঠ কয়েকটি গণমাধ্যমের দাবি, নতুন চুক্তিতে তিনি কিলিয়ান এমবাপ্পের সমপরিমাণ বেতন দাবি করেছেন। তবে রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ আপাতত সেই দাবি মেনে নিতে আগ্রহী নন।

১৯৭১ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে খেলা গঞ্জালেস বলেন, কিশোর বয়সে ক্লাবে যোগ দেওয়ার সময় ভিনিসিয়ুসের সবচেয়ে বড় সমর্থকদের একজন ছিলেন তিনি। ব্রাজিলিয়ান তারকার প্রতিভা ও সামর্থ্য নিয়ে তার কোনো সন্দেহ নেই। তবে সময়ের সঙ্গে মাঠে এবং মাঠের বাইরের আচরণে পরিবর্তন এসেছে বলেই মনে করেন এই সাবেক ফুটবলার।

গঞ্জালেসের মতে, গত মৌসুমে বার্সেলোনার বিপক্ষে এল ক্লাসিকোয় বদলি হতে অস্বীকৃতি জানিয়ে কোচ জাবি আলোনসোর সঙ্গে ভিনিসিয়ুসের তর্কে জড়িয়ে পড়ার ঘটনাই ছিল বড় একটি মোড়। সেই ঘটনার পর থেকেই সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর একাংশের সমর্থকদের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। একই সঙ্গে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় ও ম্যাচ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিতর্কে জড়ানোর ঘটনাও বেড়ে যায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিষয়টি শুধু ভিনিসিয়ুসের ব্যক্তিগত সমস্যা নয়; এটি রিয়াল মাদ্রিদের জন্যও অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, বিশ্বমানের একজন ফুটবলার হয়েও তিনি নিজের সমর্থকদের পূর্ণ সমর্থন পাচ্ছেন না, ড্রেসিংরুমে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারছেন না এবং নিয়মিত বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছেন।

এসব কারণেই গঞ্জালেসের মত, ভিনিসিয়ুসকে ট্রান্সফার করাই রিয়ালের জন্য সবচেয়ে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত হতে পারে। বিশেষ করে বার্সেলোনার বিপক্ষে জাবি আলোনসোর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর তার ভবিষ্যৎ নিয়ে ইতিবাচক কোনো সমাধান তিনি দেখছেন না। তার ভাষায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভিনিসিয়ুসের জন্য ক্লাব ছাড়াই হতে পারে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ।