শিরোনাম

পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে পর্যালোচনা সভা অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলায় জড়িত পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত: বাংলাফ্যাক্ট আরব আমিরাতকে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ক্যাশলেস লেনদেন বাড়লে দুর্নীতি কমবে, ব্যবসার খরচও কমবে: অর্থমন্ত্রী ‘ইচ্ছা থাকলেও পর্দা করা সম্ভব না’, মেঘনা আলমের আক্ষেপ
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া—মানবপাচারের পর মুক্তিপণ আদায়

মানবপাচার চক্রের মূল হোতা মাদারীপুরের তাবিবুর রহমান ওরফে স্বপন মোল্লার নেতৃত্বে লিবিয়ার প্রধান মাফিয়া আশিক ওরফে ইমরান শেখ, বাংলাদেশি হাসান, বিষু মন্ডল, বাবু মোল্লা, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের সম্রাট শেখ ও কালু শেখের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে লিবিয়ায় নির্যাতনের ভিডিও করে পরিবার থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে ইউরোপে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মানবপাচারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সাম্প্রতিক সময়ে লিবিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের আটক, নির্যাতন এবং পাচারকারীদের হাতে বন্দিত্বের ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। গত ১৮ আগস্টও লিবিয়ার গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফেরেন। (BSS⁠)

BMF News-এর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভয়াবহ এক অভিযোগের চিত্র। ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দাবি, ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাসে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পথে লিবিয়ায় নেওয়ার পর কিছু বাংলাদেশিকে আটকে রাখা হয়। এরপর তাঁদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে সেই নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে।

পরিবারের কাছে পাঠানো এসব ভিডিও ও ফোনকলের মাধ্যমে স্বজনদের ভয় দেখিয়ে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোনো কোনো পরিবারের কাছ থেকে কয়েক দফায় লাখ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী ও তাঁদের স্বজনদের অভিযোগে উঠে এসেছে মাদারীপুরের তাবিবুর রহমান ওরফে স্বপন মোল্লার নাম। তাঁর নেতৃত্বে লিবিয়ায় একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচার সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে অভিযোগ।

এই অভিযোগে আরও যাদের নাম এসেছে তারা হলেন—লিবিয়ার আশিক ওরফে ইমরান শেখ, বাংলাদেশি হাসান, বিষু মন্ডল, বাবু মোল্লা, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের সম্রাট শেখ এবং কালু শেখ।

তবে প্রতিবেদনে উল্লিখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ স্বাধীনভাবে আদালতে প্রমাণিত হয়েছে—এমন দাবি করা হচ্ছে না। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।

স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, লিবিয়ায় আটকে থাকা ব্যক্তিদের ওপর নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে তা পরিবারের কাছে পাঠানো হয়। ভিডিওতে স্বজনদের কান্নাকাটি, মারধর কিংবা শারীরিক নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে দ্রুত টাকা পাঠানোর চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ।

পরিবারগুলো অনেক সময় আতঙ্কের মধ্যে জমি-জমা বিক্রি, ধারদেনা কিংবা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দাবি করা অর্থ পাঠাতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন স্বজন।

লিবিয়া হয়ে ইউরোপে যাওয়ার পথে বাংলাদেশিদের পাচার ও আটকে রাখার বিষয়টি যে বাস্তব ও গুরুতর সমস্যা, সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনেও তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মে মাসে পূর্ব লিবিয়ার কর্তৃপক্ষ মানবপাচারকারীদের হাতে বন্দি ১২০ অভিবাসীকে উদ্ধারের কথা জানিয়েছিল; একই সময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাও প্রকাশ্যে আসে।

অনুসন্ধানে এমন পরিবারের সন্ধান পাওয়ার দাবি করা হচ্ছে, যাদের স্বজনরা লিবিয়ায় যাওয়ার পর দীর্ঘদিন নিখোঁজ বা যোগাযোগের বাইরে রয়েছেন। The Daily Star-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে শারিয়তপুর ও মাদারীপুরের অন্তত ২৩ তরুণের নিখোঁজ থাকার কথা উঠে এসেছে; তাঁদের পরিবার জানে না তারা ডিটেনশন সেন্টারে, পাচারকারীদের আস্তানায় নাকি ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ হয়েছেন।

অন্যদিকে, জুলাই মাসেও ১৭১ বাংলাদেশি নাগরিককে লিবিয়া থেকে দেশে ফেরানো হয়। তাঁদের প্রত্যাবাসন বাংলাদেশ সরকার, লিবীয় কর্তৃপক্ষ ও IOM-এর সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়।

BMF News-এর অনুসন্ধানের পরবর্তী ধাপে খতিয়ে দেখা হচ্ছে—বাংলাদেশে কারা এসব যাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে, কীভাবে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়, লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর কারা তাঁদের গ্রহণ করে, কোথায় তাঁদের আটকে রাখা হয় এবং পরিবারের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ কোন মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়।

এ ছাড়া ভুক্তভোগীদের পাঠানো ভিডিও, অডিও রেকর্ড, মোবাইল নম্বর, টাকা পাঠানোর রসিদ, বিকাশ/ব্যাংক লেনদেনের তথ্য, পাসপোর্ট ও ভ্রমণসংক্রান্ত নথি সংগ্রহ করে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

BMF News-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসছে—মানবপাচারের এই নেটওয়ার্ক কীভাবে বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত, কারা এর সঙ্গে যুক্ত এবং কীভাবে নির্যাতন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
 

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলায় জড়িত পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত: বাংলাফ্যাক্ট

ইতালিতে মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলায় জড়িতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, ইতালিতে গতকাল অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলায় জড়িতদের মধ্যে পাঁচ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। হামলার বিভিন্ন ভিডিও থেকে তাদেরকে শনাক্ত করা হয়। শনাক্তকৃত সকলেই ইতালিতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় বলে শনাক্ত করেছে বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম।

বাংলাদেশে চব্বিশের জুলাইয়ে দুনিয়া কাঁপানো আন্দোলন নির্মূলে আওয়ামী সরকারের পরিচালিত হত্যা গণহত্যার বিরুদ্ধে এবং শিক্ষার্থীদের দাবি পক্ষে সোচ্চার ছিলেন খ্যাতিমান অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

একটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে বর্তমানে ইতালিতে অবস্থান করছেন আজমেরী হক বাঁধন। সেখানে তার ভাইয়ের সাথে রাস্তায় বের হলে বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ কর্মীদের হেনস্তার শিকার হন তিনি। এ ঘটনা ছড়িয়ে পরার পর দেশ বিদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে দাবি উঠেছে।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হয়। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।

‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।
 

খেলা

আরব আমিরাতকে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

সমীকরণটা ছিল একেবারেই পরিষ্কার- জিতলেই সেমিফাইনাল, হারলেই শেষ হয়ে যাবে নারী এশিয়া কাপে বাংলাদেশের পথচলা। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাট হাতে আবারও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে বোলারদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে সেই ঘাটতি পুষিয়ে নিয়েছে দল।

মঙ্গলবার রাতে দুবাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৩৪ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। টস হেরে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৩ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ২০ ওভারে ৬৯ রানেই থেমে যায় আমিরাতের ইনিংস।

ব্যাট হাতে শুরুটা ছিল হতাশার। প্রথম ওভারেই সুরক্ষা কোটির বলে কোনো রান না করে ফেরেন দিলারা আক্তার। পরের ওভারে ৩ রান করে একই বোলারের শিকার হন সোবহানা মোস্তারি। মাত্র ৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

এরপর অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌস কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে ৩১ রানের বেশি যোগ করতে পারেনি এই জুটি। বড় শট খেলতে গিয়ে ১৬ রান করে ফিরতে হয় জুয়াইরিয়াকে।

শারমিন আক্তার সুপ্তাকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন জ্যোতি। কিন্তু ১১তম ওভারে নিরীহ এক ফুল টসে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ২৩ রানে আউট হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। এরপর স্বর্ণা আক্তার ও ফাহিমা খাতুনও রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে গেলে ৬ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ৫৫ রান।

সেখান থেকে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন সুপ্তা ও নাহিদা আক্তার। চলতি আসরে প্রথমবার একাদশে সুযোগ পাওয়া সুপ্তা সহ-অধিনায়ক নাহিদাকে সঙ্গে নিয়ে সপ্তম উইকেটে ৪৩ বলে ৪২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। এই জুটির ওপর ভর করেই একশ রানের গণ্ডি পেরোয় বাংলাদেশ।

৩১ বলে ৩৮ রানের দারুণ ইনিংসে তিনটি চার মারেন সুপ্তা। নাহিদা ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন, যা তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৩ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের চাপে পড়ে আমিরাত। প্রথম ওভারেই অধিনায়ক ইশা ওজা ফেরার পর পঞ্চম ওভারে সামাইরা ধরনিধরকাকে আউট করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নেন মারুফা আক্তার।

পাওয়ার প্লেতে মাত্র ১৫ রান করতে পারে আমিরাত, যা চলতি টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন। এরপরও স্বাগতিক দলের ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।

অষ্টম ওভারে আক্রমণে এসে রিনিথা রজথকে ফেরান একাদশে ফেরা রাবেয়া খান। এরপর লম্বা সময় উইকেটে থাকা তীর্থ সতীশকে আউট করেন সুলতানা খাতুন। পরের ওভারে লাবণ্য কেনিকে ফিরিয়ে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নেন নাহিদা আক্তার।

একপর্যায়ে মাত্র ৩৮ রানেই ৫ উইকেট হারায় আমিরাত। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি তারা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬৯ রানেই থেমে যায় তাদের ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন মারুফা আক্তার। ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন ২১ বছর বয়সী এই পেসার। চলতি এশিয়া কাপে তিন ম্যাচে তাঁর উইকেটসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭।

রাবেয়া খান ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। নাহিদা আক্তার শিকার করেন ২ উইকেট। এছাড়া সুলতানা খাতুন ৪ ওভারে ১০ রান দিয়ে এবং ফাহিমা খাতুন ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে একটি করে উইকেট নেন।

এই জয়ে তিন ম্যাচে দুই জয় নিয়ে ‘বি’ গ্রুপে ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। রানার্স-আপ হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে তারা। শেষ চারে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভারত। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে দুই দলের লড়াই।

অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান।