শিরোনাম

সেনাবাহিনীতে ৫৪৮টি বেসামরিক পদে নিয়োগ বাবার কারণে দেউলিয়া ব্রাজিল তারকা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করতে রাজি ইরান: ট্রাম্প ‘অন্যায্য শাসনের বিরুদ্ধে আশুরা আমাদের প্রেরণা’ চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক আজ
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলায় জ্যাকুলিনের নাম প্রত্যাহার

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজকে তার ‘স্পেশাল লিভ পিটিশন’ বা বিশেষ অনুমতি আবেদন প্রত্যাহারের অনুমতি দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) অভিযোগপত্র খারিজ এবং ট্রায়াল কোর্ট কর্তৃক অভিযোগ গঠনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে তিনি এই আবেদনটি করেছিলেন। 

কথিত প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে যুক্ত এই মামলায় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সুপ্রিম কোর্ট আবেদনটি প্রত্যাহারের অনুমতি দেন। 

বিচারপতি বি.ভি. নাগারথ্না এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ জ্যাকুলিনের মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে এই প্রত্যাহারের অনুমতি প্রদান করেন। 

এর আগে গত ১১ জুন বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি অতুল এস. চন্দুরকরের বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত ছিল। তবে বিচারপতি মিশ্র এই মামলার শুনানি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন। তিনি পক্ষগুলোকে জানান যে, এই মামলার সঙ্গে যুক্ত অন্য একটি বিষয়ে তার ছেলে সরকারের পক্ষে আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন। 

বৃহস্পতিবার শুনানির সময় জ্যাকুলিন সুপ্রিম কোর্ট থেকে তার আবেদনটি প্রত্যাহারের অনুমতি চাইলে সর্বোচ্চ আদালত তা মঞ্জুর করেন। এর আগে, জ্যাকুলিন দিল্লি হাইকোর্টের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন, যেখানে হাইকোর্ট ইডির অভিযোগপত্র বাতিল করতে অস্বীকার করেছিল। 

তবে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে এই বলিউড অভিনেতা দিল্লির একটি ট্রায়াল কোর্টের সামনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং বিচার ফেস করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। গত ৩ জুন পাতিয়ালা হাউস কোর্টে হাজির হয়ে জ্যাকুলিন ‘প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’-এর অধীনে তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং মেধার ভিত্তিতে মামলা লড়ার সিদ্ধান্ত নেন। 

আদালত এই মামলায় সুকেশ চন্দ্রশেখর, তার স্ত্রী লীনা মারিয়া পল এবং আরও ১৪ জনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ গঠন করেছে। তারা সবাই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বিচার চেয়েছেন। আগামী ১৬ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে ট্রায়াল কোর্ট। 

মামলায় জ্যাকুলিনের ‘অ্যাপ্রুভার’ বা রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হওয়ার আবেদন প্রত্যাহারের কয়েক সপ্তাহ পর এই নতুন সিদ্ধান্তটি এলো। অবশ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি শুরু থেকেই জ্যাকুলিনের সাক্ষী হওয়ার আবেদনের বিরোধিতা করে আসছিল।  

ইডির দাবি, তদন্তের সময় জ্যাকুলিনের আচরণ ‘সন্তোষজনক ছিল না’ এবং পিএমএলএ-এর ধারা ৫০-এর অধীনে রেকর্ড করা জবানবন্দিতে তিনি ‘সম্পূর্ণ এবং সত্য তথ্য প্রকাশ’ করেননি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, সুকেশ চন্দ্রশেখরের অপরাধমূলক অতীত জানার পরেও জ্যাকুলিন তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং অপরাধলব্ধ আয়ের তদন্তে পুরোপুরি সহযোগিতা করেননি।

তদন্তকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চন্দ্রশেখর তার অর্থ পাচার কার্যক্রমের মাধ্যমে উপার্জিত টাকা দিয়ে জ্যাকুলিনের জন্য বিলাসবহুল উপহার ও মূল্যবান সামগ্রীর ব্যবস্থা করেছিলেন। 

ইডির অভিযোগ, এই অভিনেত্রী সুকেশের কাছ থেকে প্রায় ৭ কোটি টাকার বিলাসবহুল উপহার নিয়েছেন। তবে জ্যাকুলিন বরাবরই দাবি করে এসেছেন, সুকেশের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা উপহারের জন্য ব্যবহৃত অর্থের উৎস সম্পর্কে তার কোনো ধারণা ছিল না। 


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

বাবার কারণে দেউলিয়া ব্রাজিল তারকা

বাবার কারণে পথে বসার উপক্রম ব্রাজিল জাতীয় দলের উইঙ্গার রাফিনিয়ার। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের বাবার প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিক লিও দিয়াসের দাবি, রাফিনিয়ার পেশাদার ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তার খেলোয়াড়ি স্বত্বের ৮০ শতাংশ গোপনে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন তার বাবা। সেই সুবাদে ক্লাব ও অন্যান্য উৎস থেকে পাওয়া আয়ের বড় অংশও তিনি নিজের কাছে রেখে দেন। অথচ পুরো বিষয়টি সম্পর্কে রাফিনিয়াকে কিছুই জানানো হয়নি।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে একেবারে অপ্রত্যাশিতভাবে। সম্প্রতি স্ত্রীকে নিয়ে একটি বিলাসবহুল বাড়ি কেনার উদ্যোগ নেন রাফিনিয়া। কিন্তু ব্যাংক হিসাব যাচাই করতে গিয়ে তিনি দেখেন, সেখানে প্রত্যাশিত পরিমাণ অর্থ নেই। এরপরই আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখে বছরের পর বছর ধরে চলে আসা এই প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসে।

এ ঘটনায় রাফিনিয়া এখন বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতার মুখোমুখি। নিজের উপার্জনের বড় একটি অংশ কোথায় গেছে, তা জানতে আইনজীবীদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

তবে এখন পর্যন্ত রাফিনিয়া কিংবা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। ফলে অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।