শিরোনাম

যে কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না মির্জা আব্বাস আলভারেজের আশা ছেড়ে বিকল্প ফুটবলার খুঁজছে বার্সেলোনা ‘সালমান ক্যামেরার দিকে তাকালেই ম্যাজিক ঘটে’ হরমুজ ‘আমেরিকার’ হলে ক্যালিফোর্নিয়া ‘ইরানের’, ট্রাম্পকে তেহরান স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে প্যারোলে মুক্ত দীপু মনি
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

‘সালমান ক্যামেরার দিকে তাকালেই ম্যাজিক ঘটে’

আগামী ২১ আগস্ট বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে বহুপ্রতীক্ষিত আন্তর্জাতিক অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা ‘৭ ডগস’। মরোক্কান-বেলজিয়ান পরিচালক জুটি আদিল এল আরবি ও বিলাল ফালাহের পরিচালনায় তৈরি এই আরবি চলচ্চিত্রে সালমান খানের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন সঞ্জয় দত্ত এবং বিখ্যাত ইতালীয় অভিনেত্রী মনিকা বেলুচ্চি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সিনেমাটির শুটিং সেটে সালমানের কাজ করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে প্রশংসায় মেতে ওঠেন এই দুই নির্মাতা।পরিচালক আদিল জানান, শুটিং সেটে সালমানের নিজস্ব স্বকীয়তা ও উপস্থিতির ধরন তাকে বারবার হলিউড তারকা উইল স্মিথের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

সালমানের সহজাত তারকাদের মতো চার্মিং ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘ক্যামেরা তার দিকে তাক করলেই যেন সেটে এক মায়াবী ম্যাজিক ঘটে যায়।’

আদিল আরও জানান, সালমান খুব দ্রুত ধরে ফেলতে পারেন কোন দৃশ্যে পরিচালকের ঠিক কী প্রয়োজন। নিখুঁত টেক দেওয়ার পর নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি চরিত্রে এমন কিছু মাত্রা যোগ করেন, যা পুরো দৃশ্যকেই নতুন এক রূপ দেয়। সালমানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাকে আদিল একটি চলচ্চিত্র পাঠশালায় গিয়ে ছবি বানানো শেখার সঙ্গে তুলনা করেছেন।

অন্যদিকে সহ-পরিচালক বিলাল বলেন, ‘সালমান অনেক সময় শুটিংয়ের মাঝে নিজের থেকে এমন কিছু সংলাপ বা সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি যোগ করতেন, যা এডিটিং টেবিল বা সম্পাদনার সময় আলাদাভাবে নজর কাড়ত। অনায়াসেই ছোট্ট একটি মুহূর্তকে স্মরণীয় করে তোলার জাদুকরী ক্ষমতা রয়েছে এই বলিউড সুপারস্টারের।’

উল্লেখ্য, প্রায় ৪ কোটি ডলার বাজেটে নির্মিত ‘৭ ডগস’ হতে যাচ্ছে আরব অঞ্চলের অন্যতম ব্যয়বহুল চলচ্চিত্র। এর বড় একটি অংশের চিত্রায়ণ হয়েছে সৌদি আরবের রিয়াদে। উচ্চমানের অ্যাকশন, দুর্দান্ত স্টান্ট এবং রোমাঞ্চকর বিস্ফোরণের দৃশ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে এটি। সিনেমাটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হতে যাচ্ছে এর একটি বিশাল বিস্ফোরণের দৃশ্য, যা ইতোমধ্যেই সবচেয়ে বড় চলচ্চিত্র বিস্ফোরণ হিসেবে 'গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস'-এ স্থান করে নিয়েছে।
 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

আলভারেজের আশা ছেড়ে বিকল্প ফুটবলার খুঁজছে বার্সেলোনা

অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজকে পেতে মরিয়া ছিল বার্সেলোনা। তবে এবারের মতো বাস্তবতা মেনে নিয়ে ব্লুগ্রানা–রা অবশেষে তার আশা ছেড়ে দিয়েছে। দলবদলের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে এখন অন্য স্ট্রাইকারদের দিকে নজর দিচ্ছে স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা। সেই তালিকায় আছেন আরেক আর্জেন্টাইন লাউতারো মার্টিনেজও।

এক সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন জানিয়েছে, আলভারেজের বিষয়টি পুরোপুরি বাদ দেয়নি বার্সা। ভবিষ্যতে এমনকি জানুয়ারির সংক্ষিপ্ত দলবদলেও তারা আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের জন্য আবারও চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের অনড় অবস্থানের কারণে ক্রীড়া পরিচালক দেকোকে এখন বিকল্প খেলোয়াড় খুঁজতে হচ্ছে।

বার্সেলোনার কোচ হ্যান্সি ফ্লিকও একজন ‘নম্বর নাইন’ দলে চান। রবার্ট লেভান্ডফস্কি ও ফেররান তোরেসের বিদায়ের পর আক্রমণভাগে একজন স্ট্রাইকারের প্রয়োজনীয়তার কথা জোর দিয়ে বলেছেন তিনি। গতকাল (বুধবার) ফ্লিক বলেন, ‘আমরা ওই খেলোয়াড়টির (স্ট্রাইকার) খোঁজ করছি এবং ডেকো দারুণ কাজ করছে।’ তবে ক্লাবের অন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা মনে করেন, নতুন স্ট্রাইকার না এলেও বর্তমান স্কোয়াডে যথেষ্ট বিকল্প রয়েছে।

ডেকো বলেন, ‘আমরা আক্রমণভাগে দুজন খেলোয়াড়কে হারিয়েছি– লেভি ও ফেররান। আমার মনে হয়, যেসব খেলোয়াড় আমরা দলে এনেছি, তাদের মাধ্যমে ফেররানের জায়গা পূরণের সমাধান আমাদের আছে। কিন্তু রবার্টকে প্রতিস্থাপন করা অনেক বেশি কঠিন। তার মতো একজন খেলোয়াড়কে বদলি করা সত্যিই কঠিন। আমাদের অভ্যন্তরীণ কিছু সমাধান আছে। তবে বাজারে কী পাওয়া যাচ্ছে, সেটাও দেখতে হবে। অনেক গুঞ্জন চলছে। আমার মনে হয় আরও কিছু পরিবর্তন হবে। আমরা এখনও কঠোর পরিশ্রম করছি।’

এর আগে কাতালানরা চলতি গ্রীষ্মের দলবদলে আলভারেজকে পেতে প্রায় ১০ কোটি ইউরোর প্রস্তাব দিয়েছিল, সেটি প্রত্যাখ্যান করে অ্যাতলেটিকো। ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক এই ফরোয়ার্ড প্রকাশ্যেই জানিয়েছিলেন, তিনি ক্লাব পরিবর্তন করতে চান। তবে তার বর্তমান ক্লাব শুরু থেকেই তাকে ছাড়বে না বলে অবস্থান পরিষ্কার রেখেছে। বার্সার আশা ছিল আলভারেজের ওই মন্তব্যে অ্যাতলেটিকোর অবস্থান কিছুটা নরম হবে। কিন্তু সূত্র জানিয়েছে, এখন ক্লাব মেনে নিয়েছে– শেষ মুহূর্তে কোনো ‘নাটকীয়’ পরিবর্তন না হলে চলতি মাসে এই চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ফ্লিক অবশ্য এখনও ‘নম্বর ৯’-এর আশা ছাড়েননি। তবে ক্লাবের অন্যরা মনে করছেন, রাফিনিয়া, করিম আদেয়েমি, অ্যান্থনি গর্ডন, এমনকি লামিনে ইয়ামালকেও সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলানো সম্ভব। আবার ফারমিন লোপেজ এবং দানি ওলমোকেও অতীতে ‘ফলস নাইন’ হিসেবে খেলানো হয়েছে। প্রাক-মৌসুমে স্কোয়াডে একমাত্র স্বাভাবিক স্ট্রাইকার হিসেবে আছেন ১৮ বছর বয়সী মিশরের ফরোয়ার্ড হামজা আবদেলকারিম। হামজা গতকাল জোয়ান গাম্পার ট্রফিতে আল আহলির বিপক্ষে বার্সার জয়ে গোল করেন। যা প্রাক-মৌসুমে তার চতুর্থ গোল।

এদিকে, চলতি গ্রীষ্মে বার্সেলোনা চেলসির ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জোয়াও পেদ্রো ও বোর্নমাউথের ফরাসি তরুণ জুনিয়র কুপ্রির ব্যাপারেও খোঁজ নিয়েছিল। তবে পেদ্রো চেলসির সঙ্গে নতুন চুক্তি এবং বোর্নমাউথের কুপ্রি পায়ের চোটে চার মাস পর্যন্ত মাঠের বাইরে থাকবেন। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সপ্তাহে ইন্টার মিলানের লাউতারো মার্টিনেজ ও স্পোর্টিং সিপির লুইস সুয়ারেজের নামও বার্সার সঙ্গে জড়িয়েছে। তবে আপাতত দুজনের ক্ষেত্রেই সম্ভাব্য ট্রান্সফার ফি বার্সার নাগালের বাইরে। ভিয়ারিয়ালের দুই খেলোয়াড় আয়োজে পেরেজ ও জর্জেস মিকাউতাদজের পরিসংখ্যানেও বেশ মুগ্ধ বার্সা।