শিরোনাম

সিন্ধুর পানি নিয়ে ভারতকে কড়া হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের নতুন সমীকরণে লাভবান ইরান, উদ্বিগ্ন প্রতিদ্বন্দ্বীরা ইতিহাস গড়ল কানাডা, ড্রেসিংরুমে ছুটে গেলেন প্রধানমন্ত্রী যশোরে ফিড মিল ও বিষাক্ত পোল্ট্রি বর্জ্যে বিপন্ন বানিয়াগাতি,ক্যামিক্যালের পানি ভৈরব নদে মেহেরপুরে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

আলিয়ার আড়াই মিনিটের ঝড়, ভিডিও ভাইরাল

কোমরের দুলুনি ও হাসির ছটা দেখানোর দিন শেষ। এবার স্পাই হয়ে আসছেন আলিয়া ভাট। টিজারে আভাস পাওয়া গিয়েছিল।

বুধবার (১৮ জুন) প্রকাশিত ‘আলফা’র আড়াই মিনিটের ট্রেলার তাকে মনে হলো যেন এক ক্ষুধার্ত হায়না। ক্রোধ ও সৌন্দর্যের আগুন জ্বাললেন একসঙ্গে।

শুরুতেই দেখা যায় সীতা রূপী ছোট্ট আলিয়াকে। যাকে নিজে হাতে ইস্পাতদৃঢ় করে গড়ে তুলছেনন বাবারূপী ববি দেওল। পরিচিতি ও প্রশক্ষিণ পর্বের শেষে জ্বলে ওঠার ইঙ্গিত দেন আলিয়া। জানান, একাই লঙ্কা জ্বালিয়ে দেবেন তিনি।

এখান থেকেই শুরু ধুন্ধুমার অ্যাকশনের। যেখানে পর্দায় রূপের বদলে ক্রোধের আগুন জ্বালতে দেখা যায় আলিয়াকে। কোমরের দুলুনির মতোই সাবলীল ছিলেন মারকাটারি দৃশ্যে। যার শেষ হয় হৃতিক চমকে।

ট্রেলারে রাফ অ্যান্ড টাফ লুকে আলিয়া যেমন নজর কেড়েছেন তেমনই মনোযোগ নিজেদের দিকে নিয়েছেন ববি দেওল ও অনিল কাপুররা। ববি ধরা দিয়েছেন বিধ্বংসী অবতারে। নেটিজেনদের মতে অ্যানিমেলের পর ফের চমকে দিলেন তিনি। অনীলের চরিত্রটি গাম্ভীর্যের কারণে ভংকরের পাশাপাশি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হয়ে উঠেছে।

ক্যামিও যেন বলিউডের রীতিতে পরিণত হয়েছে। ‘পাঠান’, ‘টাইগার’ ‘ওয়ার’-এর মতো এখানেও ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তবে দর্শকরা ভেবেছিলেন আলিয়ার ছবিতে শাহরুখ কিংবা সালমানকে পাবেন তারা। অথচ চমকে দিলেন হৃতিক।

এরকম বাণিজ্যিক সিনেমার ট্রেলার শুধু কেন্দ্রীয় চরিত্রকে ঘিরে ঘুরলেও আলফা ব্যতিক্রম। অন্য চরিত্রগুলোর প্রতি সুবিচার করা হয়েছে। অনীল-ববির মতো নজর কেড়েছেন আলিয়ার সঙ্গীর চরিত্রে শর্বরী ওয়াঘের উপস্থিতি। যশুরাজ ফিল্মসের ব্যানারে আগামী ৩ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাবে সিনেমাটি।


 

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

ইতিহাস গড়ল কানাডা, ড্রেসিংরুমে ছুটে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

কানাডা ফুটবল দল ইতিহাস গড়েছে। বৃহস্পতিবার ভ্যাঙ্কুভারে কাতারকে ৬-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো জয় পেল কানাডা। এই জয় কানাডার ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয় হিসেবে লেখা হয়ে গেছে।

শুধু তাই নয়, এটি কনকাকাফ অঞ্চলের কোনো দলের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়। এই ফলে গ্রুপ বি-তে শীর্ষে উঠে গেছে কানাডা।

ম্যাচটি দেখতে বিসি প্লেসে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে একটি বক্সে বসে তিনি ম্যাচ দেখেন। 

কার্নি এই বিশ্বকাপে কোনো আয়োজক দেশের প্রথম নেতা হিসেবে মাঠে খেলা দেখলেন। জয়ের পর তিনি লকার রুমে গিয়ে খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান এবং সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও দেন। তিনি বলেন, ‘তোমরা আমাকে গর্বিত করে দিলে। এর চেয়ে বেশি গর্ব আমার কোনোভাবেই হতে পারত না।’

ম্যাচ শুরুর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ‘কার্নি কার্স’ বা কার্নির অভিশাপ নিয়ে রসিকতা করছিলেন। কিন্তু ৬-০ গোলের জয়ের পর সুর পাল্টে যায়। অনেকেই বলতে শুরু করেন, কার্নি আসলে সৌভাগ্য নিয়ে এসেছেন।