শিরোনাম

কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল, জোর দাবি উঠেছিল সফরেরও! আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে সোমবার দিল্লি যাচ্ছেন মমতা ‘যুদ্ধে জড়ালে খুবই খারাপ হবে’, চীন-রাশিয়াকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা অপেক্ষায় গুলশানের ৫০২ নম্বর ফ্ল্যাট সরকারের সঙ্গে আজ তৃতীয় দফায় বৈঠকে বসছে সিজেপি
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ,  আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

ছবি: সংগৃহীত।

আপনাকে খুশি রাখার জন্য আমি নিজের মত বদলাব না: অরিজিৎ সিং

দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে দেশজুড়ে যখন বিতর্ক তুঙ্গে, তখন নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। সোমবার সংসদ অভিযানের পর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স (আগের টুইটার)-এ একটি পোস্ট করে তিনি ছাত্রছাত্রীদের উপর পুলিশি লাঠিচার্জ এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর এই পোস্ট মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। কেউ তাঁর সাহসী অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন, আবার কেউ প্রকাশ্যে বিরোধিতাও করেছেন।

অরিজিতের পোস্টে ছিল ক্ষোভের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। তিনি লেখেন, 'পড়ুয়াদের মারধর করা হচ্ছে! দিল্লি পুলিশ, আপনাদের কি একবারও লজ্জা করছে না? নেতা-মন্ত্রীদের বলছি, এ সব কী হচ্ছে? নিজেদের কি ঈশ্বর ভাবতে শুরু করেছেন? সব কিছুর হিসাব একদিন হবে। হর হর মহাদেব।' একই সঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন, 'পরিবর্তনই একমাত্র ধ্রুবক।'

অরিজিতের মন্তব্যে যেমন বহু মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন, তেমনই একাংশের আপত্তিও সামনে এসেছে। এক ভক্ত মন্তব্য করে লেখেন, তিনি অরিজিতের রাজনৈতিক অবস্থানে হতাশ। তাঁর দাবি, এতদিন যাঁকে শ্রদ্ধা করতেন, সেই সম্মান নাকি আর রইল না। এমনকি তিনি লেখেন, এখন থেকে তিনি অরিজিৎকে ঘৃণা করেন।

এই কড়া সমালোচনার জবাবে উত্তেজিত না হয়ে অত্যন্ত সংযত ভাষাতেই উত্তর দেন অরিজিৎ। তিনি জানান, কেউ তাঁকে সম্মান করলেন কি না, তা নিয়ে তিনি চিন্তিত নন। কারণ প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব মতামত থাকার অধিকার রয়েছে। তাঁর কথায়, 'আপনি আমার গান ভালোবাসেন বলেই যে আমার প্রতিটি মতের সঙ্গে একমত হবেন, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। আবার আপনাকে খুশি রাখার জন্যও আমি নিজের মত বদলাব না।”

তবে এখানেই থেমে থাকেননি গায়ক। অরিজিৎ লিখেছেন, 'মানুষ হিসেবে আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইছি। আমার কথায় যদি আপনার খারাপ লেগে থাকে, তার জন্য দুঃখিত। কিন্তু আমি যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি, তা আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি স্বাধীনভাবে নিজের মত প্রকাশ করেছি, আর সেই অবস্থান থেকে সরে আসার কোনও কারণ দেখছি না।'

শেষে ভক্তকে উদ্দেশে তিনি আরও লেখেন, 'আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে দিতে পারেন। চাইলে আমাকে সম্পূর্ণ ভুলেও যেতে পারেন। আপনার জীবনের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল। কিন্তু আমার মত বদলাবে না।'

খেলা

ছবি: সংগৃহীত।

কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল, জোর দাবি উঠেছিল সফরেরও!

ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল এবার একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে ভারতে আসতে পারে। এই ম্যাচের সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে উঠে আসছে কলকাতার নাম। ইএসপিএন ব্রাজিলের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন বা সিবিএফ ভারতীয় আয়োজকদের সঙ্গে এই বিষয়ে অনেকদূর আলোচনা এগিয়ে নিয়ে গেছে।

চলতি ফিফা বিশ্বকাপের সময়ই সিবিএফ ও ভারতীয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে এই আলোচনা শুরু হয় বলে জানা যাচ্ছে। ভারতে খেলার প্রতি ব্রাজিলের আগ্রহের মূল কারণ হলো, এই বিশ্বকাপে ভারতীয় সমর্থকদের কাছ থেকে দলটি বিশাল সমর্থন পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতীয় সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের অনেক ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবরের শুরুর মধ্যে ব্রাজিলের তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা আছে। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি ম্যাচ ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়ে গেছে। একটি হবে ২৫ সেপ্টেম্বর টাউনসভিলে, আরেকটি ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রিসবেনে। তৃতীয় ম্যাচটি নিয়ে এখন আলোচনা চলছে, আর এই ম্যাচটিই হতে পারে ভারতে।

ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ইএসপিএন ব্রাজিল জানিয়েছে, বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর এবং কাতারেও দলটিকে নিয়ে যাওয়ার জোর দাবি উঠেছিল। তবে এখন পর্যন্ত শুধু ভারতের সঙ্গেই আলোচনা এগিয়েছে।

এই একক ম্যাচ যদি সত্যিই কলকাতায় চূড়ান্ত হয় এবং অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের সঙ্গে শহরটির দীর্ঘদিনের সম্পর্কে যুক্ত হবে আরেকটি অধ্যায়। ১৯৭৭ সালে পেলে নিউ ইয়র্ক কসমসের হয়ে মোহনবাগানের বিপক্ষে ইডেন গার্ডেনসে খেলেছিলেন।