বৃক্ষরোপণ ভবিষ্যতের জন্য সবুজ ঋণ: ছোট উদ্যোগেই বড় প্রভাব”
বিএমএফ টেলিভিশন ডেস্ক || বিএমএফ টেলিভিশন
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও আগামী প্রজন্মের জন্য সবুজ পৃথিবী গড়ে তুলতে ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে সামাজিক সংগঠন মিশন প্রগতি চেইন অফ ইউনিটি (MPCU)।
দামুড়হুদা থানাধীন ছুটিপুর গ্রামের পোতারপাড়া ও চারুলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ফুলের গাছ রোপণ করা হয়। এ সময় প্রায় দুই শতাধিক গাছ লাগানো হয়েছে বলে জানা যায়।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি মো. মুবিন হোসেন বলেন, “আমাদের পূর্বপুরুষেরা অনেক গাছ রেখে গেছেন, আমরা সেই গাছের ছায়া পেয়েছি। এখন আমাদের দায়িত্ব নতুন গাছ লাগিয়ে আগামীর জন্য ছায়া রেখে যাওয়া।”
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল রানা বলেন, “বৃক্ষরোপণ মানে শুধু মাটিতে একটি চারা পুঁতে দেওয়া নয়। এটি নিজের, সমাজের এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নীরব প্রতিশ্রুতি।”
তিনি আরও বলেন, “একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ বছরে প্রায় ২ কেজি কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন ছাড়ে। অর্থাৎ একটি গাছ বছরের পর বছর নীরবে মানুষের জন্য বাতাস পরিষ্কার করে যায়।”
বক্তারা জানান, মানুষ কথা বলে কিন্তু গাছ কাজ করে। যদি ১০ জন মানুষ বছরে একটি করে গাছ লাগায়, তাহলে ১০ বছরে তা একটি ছোট সবুজ বনায়নে রূপ নিতে পারে, যা একটি এলাকার তাপমাত্রা পর্যন্ত কমাতে সক্ষম।
তারা আরও বলেন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস হোক বা না হোক—যেকোনো দিনই গাছ লাগানোর সঠিক সময়। একটি চারা কিনে মাটিতে রোপণ করুন, নিয়মিত পানি দিন, বাকিটা প্রকৃতি নিজেই সামলে নেবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন মো.আকাশ হোসেন, মে. রাসেল ইসলাম, মো. রসেলুর রহমান , মো. তৌফিক হোসেন , মো. রিফাত হোসেন, মো. তারিকুল, মো. রাজু, মো. জাব্বার, মো. আজাদ, মো. নকিব, মো. সাফায়েত, মো. হাবিবুর, মো. অর্পা, মো. তিথি, মো. তামান্না, মো. অশ্রু, মো. মাইফুলআরা ও আরাফাতসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।