তালায় প্রস্তুত ২০ হাজার পশু, হাটে বাড়ছে বেচাকেনা।

শেখ মোঃ আল আমিন তালা সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:- || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ দুপুর ১২:৩২, রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পশুর হাটগুলোতে জমে উঠেছে, শুরু হয়েছে বেচাকেনা।

উপজেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ২০ হাজার গরু, ছাগল ও ভেড়া। স্থানীয় খামারিদের দাবি, চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত থাকায় এবার কোরবানির বাজারে সরবরাহ নিয়ে কোনো সংকট হবে না।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ছোট-বড় খামারে মোট ১৯ হাজার ৯০০টি গরু, ছাগল ও ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে গরুর সংখ্যা ৭ হাজার ৪২০টি। চলতি বছর উপজেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ধরা হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার ৯০০টি।

ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলার পশুর হাটগুলোতে বেচাকেনাও জমে উঠতে শুরু করেছে। তালা উপজেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট জেঠুয়া বাজার । সপ্তাহে প্রতি মঙ্গলবার গবাদিপশু বেচাকেনা হয়। ঈদকে সামনে রেখে ভোর থেকেই এই হাটে তালাসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে গরু নিয়ে আসেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়দের মতে, উপজেলার সবচেয়ে বেশি গরু বেচাকেনা হয় এই হাটে।

এ ছাড়া পাটকেলঘাটায় প্রতি শনি ও বুধবার এবং তালা বাজারে প্রতি শনিবার নিয়মিত পশুর হাট বসে। এসব হাটকে কেন্দ্র করে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিও বাড়ছে।

উপজেলার ভায়ড়া গ্রামের খামারি আরশাফুল জানান, সারা বছর পরিচর্যা করে লালন-পালন করা একটি গরু তিনি ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। দাম নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও জানান।

ব্যবসায়ী'রা জানিয়েছেন ঈদের শেষ সময়ের দিকে পশুর হাটে বেচাকেনা বেশি হয়। গ্রামাঞ্চল থেকে গরু কিনে বিভিন্ন হাটে বিক্রি করা হয়। অঞ্চলের মধ্যে জেঠুয়া বাজারে সবচেয়ে বেশি গরুর বেচাকেনা হয়ে থাকে।

একজন ক্রেতা  বলেন, কয়েকটি গরু দেখে তিনি ভালো মানের একটি দেশি গরু কিনেছেন।

তালা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাসুম বিল্লাহ বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে উপজেলায় পর্যাপ্ত কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বলেন, পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। পাশাপাশি চামড়া সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ নিয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যাতে বিক্রেতারা ন্যায্যমূল্য পান।

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়