কেন্দুয়ায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ইন্ধনে সাংবাদিকের জমি দখলে নেওয়ার পায়তারা
সাইফুল আলম দুলাল সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ || বিএমএফ টেলিভিশন
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলাধীন দলপা ইউনিয়নের বুথপাশা গ্রামের মোহন গংরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিল্টু মিয়ার সহযোগিতায় কুনিহাটি গ্রামের বাসিন্দা ঢাকায় বসবাসরত সাংবাদিক মাসুদ খান পাঠানের জমি দখলে নেওয়ার পায়তারা করছে বলে কেন্দুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলাধীন দলপা ইউনিয়নের বুথপাশা গ্রামের মোহন গংরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিল্টু মিয়ার সহযোগিতায় কুনিহাটি গ্রামের বাসিন্দা ঢাকায় বসবাসরত সাংবাদিক মাসুদ খান পাঠানের জমি দখলে নেওয়ার পায়তারা করছে বলে কেন্দুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ মারফত জানা যায়, মোহন গংরা মাসুদ খান পাঠানের জমির আইল কেটে ফেলেছে এমনকি জমির ফসলাদিও হাসেঁর খামার দিয়ে নষ্ট করে ফেলে। বাদী মাসুদ খান পাঠান অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন যে,পুকুর পাড়ে কলা ছড়ি ও পুকুরের মাছও ধরে নিয়ে যায়। এসব বিষয় নিয়ে মহোনের সঙ্গে কথা বলতে গেলে বাদীকে অকত্য ভাষায় গালাগালি করে ও মিথ্যা মামলার হুমকি প্রদান করে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সামসুল হুদা বাচ্ছু সাহেবের সাথে কথা হলে তিনি বলেন বাদী মাসুদ খান পাঠান আমার কাছে এসেছিল বিষয়টি সমাধান করার জন্য, কিন্তু বিবাদী মোহন গংরা আমার কাছে না আসায় মাসুদ আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন বিএনপির সভাপতি বিল্টর সঙ্গে তাদের দহরম মহরম বেশি।
তিনি এও বলেন মোহন গংরা আওয়ামী পরিবারের লোক হওয়া সত্বেও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হয়ে তাদের পক্ষ নিয়ে কথা বলে তা আমার বোধগম্য নয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন বিল্টুর অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। টাকার বিনিময়ে সে অসম্ভবকে সম্ভব করতে যা যা করার দরকার তাই করে যাচ্ছে। অনেকের মন্তব্য বিল্টুকে এ মুহূর্তে থামাতে না পারলে আগামী নির্বাচনে দলপা ইউনিয়নে ধানের শীষের ভোট কমবে তো বাড়বে না।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিল্টুর মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি সহজ সরল মানুষ। আমি কারও ক্ষতি হয় এমন কাজ করি না।
এ বিষয়ে বিবাদী মোহনের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন আমি মাসুদের জমির আইল কাটিনি এমনকি কোন খারাপ আচরনও করিনি।আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেছে।
উক্ত বিষয়ে কেন্দুয়া থানার এস আই শহিদ সাহেবের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টির তদন্ত চলছে, তদন্ত কাজ শেষ হলে বিস্তারিত বলতে পারব।