স্কুলে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করল দক্ষিণ কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ দুপুর ০২:৫১, বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫, ১৩ ভাদ্র ১৪৩২
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে মোবাইল ও স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। বুধবার ( ২৭ আগস্ট) এ সংক্রান্তে একটি আইন অনুমোদন করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট। আগামী বছরের মার্চে শুরু হওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে এটি কার্যকর হবে। খবর রয়টার্স।

বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে মোবাইল ও স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। বুধবার ( ২৭ আগস্ট) এ সংক্রান্তে একটি আইন অনুমোদন করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট। আগামী বছরের মার্চে শুরু হওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে এটি কার্যকর হবে। খবর রয়টার্স।

দেশটির জাতীয় পরিষদের এক মুখপাত্র বলেন, আগামী বছরের মার্চ মাসে এই বিলটি কার্যকর হবে। এই বিলটিতে শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোনসহ স্মার্ট ডিভাইস নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বুধবার বিলটি পাস হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্মার্টফোন আসক্তি নিয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে দক্ষিণ কোরিয়া সম্প্রতি স্কুলে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ওপরও কঠোর নিয়ম আরোপের চেষ্টা করছে।

এর আগে অস্ট্রেলিয়া এবং নেদারল্যান্ডসসহ অনেক দেশই এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। সিউলের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, এই আইনের মাধ্যমে বিশেষ শিক্ষার প্রয়োজনে বা শিক্ষাগত উদ্দেশ্যে সহায়ক সরঞ্জাম ছাড়া শ্রেণিকক্ষে স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শেখার অধিকার এবং শিক্ষকের শিক্ষাদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সমর্থন করার অভ্যাস গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিরোধী দল পিপল পাওয়ার পার্টির সদস্য চো জং-হুনসহ বিলটি উত্থাপনকারী আইনপ্রণেতারা বলছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের উদ্বেগের মধ্যে বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত ছিল।

কিন্তু দেশটির জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সম্প্রতি তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে। বলা হচ্ছে, শিক্ষাগত উদ্দেশ্যে ফোন ব্যবহারের ওপর সীমা নির্ধারণ অধিকার লঙ্ঘন করে না কারণ এটি শিক্ষার্থীদের শেখার এবং মানসিক সুস্থতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

বিলটি উত্থাপনকারী একটি নথিতে আইনপ্রণেতারা বলেছেন, এই পটভূমিতে, ‌‘স্কুলে স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারের নিয়ম স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করে’ সামাজিক দ্বন্দ্ব কমানোর জন্য আইনটির প্রয়োজন ছিল।

কিন্তু বামপন্থি জিনবো পার্টিসহ বিভিন্ন গোষ্ঠী এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা বলছে, এই আইন শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল অধিকার এবং শিক্ষার অধিকার লঙ্ঘন করবে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ কিশোর-কিশোরীদের নিজেদেরই দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নিতে শেখা থেকে বিরত রাখবে এবং ডিজিটাল পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করবে।

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়