প্রথমবার যে কথা স্বীকার করলো ইউক্রেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ দুপুর ০২:৩২, বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫, ১২ ভাদ্র ১৪৩২
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

ইউক্রেনের দনিপ্রোপেত্রভস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার সেনারা প্রবেশ করেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ইউক্রেন প্রথমবারের মতো এ কথা স্বীকার করেছে। কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

ইউক্রেনের দনিপ্রোপেত্রভস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার সেনারা প্রবেশ করেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ইউক্রেন প্রথমবারের মতো এ কথা স্বীকার করেছে। কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

দনিপ্রো অপারেশনাল স্ট্র্যাটেজিক গ্রুপ অফ ফোর্সেসের মুখপাত্র ভিক্টর ট্রেগুবভ এ বিষয়ে এএফপিকে বলেছেন, ‘হ্যাঁ, রুশ সেনাবাহিনী দনিপ্রোপেত্রভস্কে প্রবেশ করেছে এবং এখন পর্যন্ত লড়াই চলছে।’

উল্লেখ্য, দনিপ্রোপেত্রভস্ক একটি কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক এলাকা, যা পূর্বে তীব্র লড়াই থেকে মুক্ত ছিল। গত জুলাইতে মস্কো প্রথম জানান, তাদের বাহিনী এই অঞ্চলে অগ্রসর হয়েছে। যদিও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অঞ্চল দাবি করেনি। এরপর থেকে তারা সেখানে কিছু বসতি দখল করার দাবি করেছে।

পৃথক এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ জাপোরিজকে এবং নোভোজর্গিভকা গ্রাম সম্পূর্ণরূপে দখল করার মস্কোর দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু যুদ্ধ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ডিপস্টেট মঙ্গলবার জানিয়েছে, রাশিয়ার সেনাবাহিনী এই এলাকা ‘দখল’ করেছে। যুদ্ধ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ডিপস্টেটের সাথে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

ডিপস্টেট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে বলেছে, ‘রাশিয়ার সেনাবাহিনী তার অবস্থান সুসংহত করছে এবং আরও অগ্রসর হওয়ার জন্য পদাতিক বাহিনী সংগ্রহ করছে।’

রাশিয়ার বাহিনী পূর্ব ও দক্ষিণ ইউক্রেনের যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে। এখানে খুব কম সংখ্যক বাসিন্দা এবং অক্ষত ভবন অবশিষ্ট আছে।

মস্কো প্রকাশ্যে রাশিয়ার অংশ হিসেবে যেসব অঞ্চলের দাবি করেছে, দনিপ্রোপেট্রোভস্ক এমন ইউক্রেনীয় অঞ্চল নয় বরং, রাশিয়া দোনেৎস্ক, খেরসন, লুহানস্ক, জাপোরিঝিয়া এবং ক্রিমিয়া এই পাঁচটি অঞ্চলকে নিজের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভ্লাদিমির পুতিন এবং ভলোদিমির জেলেনস্কির সাথে বৈঠকের পর একটি অগ্রগতির আশা জাগিয়ে তোলার পর, মস্কো তখন থেকে ইউক্রেনীয় নেতাদের মধ্যে কোনও বৈঠকের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে।

পুতিন তার আক্রমণ বন্ধ করার পূর্বশর্ত হিসেবে ইউক্রেনকে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন কিছু অঞ্চল থেকে সরে যাওয়ার দাবি জানিয়েছে। ইউক্রেন রাশিয়ার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়