সীমান্তে কিমের সৈন্যদের দেখেই গুলি চালালো দক্ষিণ কোরিয়া
আন্তর্জাতিক ডেস্ক। || বিএমএফ টেলিভিশন
দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সীমান্তের কাছে ১০টিরও বেশি গুলি ছোড়ার অভিযোগ এনেছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ংয়ের দাবি, সীমান্তে দায়িত্বরত তাদের সৈন্যদের লক্ষ্য করে এই গুলি চালানো হয়েছে, যা অঞ্চলজুড়ে সামরিক উত্তেজনা অনিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সীমান্তের কাছে ১০টিরও বেশি গুলি ছোড়ার অভিযোগ এনেছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ংয়ের দাবি, সীমান্তে দায়িত্বরত তাদের সৈন্যদের লক্ষ্য করে এই গুলি চালানো হয়েছে, যা অঞ্চলজুড়ে সামরিক উত্তেজনা অনিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পারে।
আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সেনারা “পূর্বপরিকল্পিত ও ইচ্ছাকৃত উসকানিমূলক হামলা” চালিয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার পিপলস আর্মির ভাইস চিফ অফ দ্য জেনারেল স্টাফ কো জং চোল বলেন, এটি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক কাজ, যা দক্ষিণ সীমান্ত অঞ্চলে সামরিক সংঘাতের দিকে ধাবিত করতে পারে। পরিস্থিতি যদি এভাবে এগোয়, তা হলে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার সৈন্যরা উপদ্বীপ বিভক্তকারী সুরক্ষিত সীমান্তে একটি স্থায়ী কাঠামো নির্মাণে ব্যস্ত ছিলেন। সে সময় দক্ষিণ কোরিয়ার সেনারা হঠাৎ করে গুলিবর্ষণ করে।
এ দিকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার কিছু সেনা ডিমিলিটারাইজড জোনের ভেতর দিয়ে সামরিক সীমানা রেখা অতিক্রম করলে, দক্ষিণ কোরিয়ার বাহিনী সতর্কতামূলক গুলি চালায়।
সিউলের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ বিবৃতিতে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় ফ্রন্টলাইনে এমডিএলের কাছে কাজ করছিলেন উত্তর কোরিয়ার কিছু সেনা। সীমান্ত লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায় সীমিত সংখ্যক সতর্কতামূলক গুলি ছোড়া হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এ বছরের এপ্রিল মাসেও এমন একটি ঘটনা ঘটে, যখন উত্তর কোরিয়ার ১০ জন সেনা সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সীমান্ত অতিক্রম করেন, এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সেনারা সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে।
বিশ্লেষকরা আরও মনে করছেন, ক্রমবর্ধমান সীমান্ত উত্তেজনা দুই কোরিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা আরও গভীর করতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা