স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটি ঘোষণা যেকোনো সময়, চমক দেখাতে পারেন যেসব ছাত্রনেতা

ডেস্ক রিপোর্ট। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ বিকাল ০৪:১৬, সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে পুরোদমে মাঠে নামতে চায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলো। সরকারের পাশাপাশি রাজপথেও যুগোপযোগী কার্যক্রম পরিচালনা করে সরকারকে সর্বোচ্চ সমর্থন দেওয়ার সংকল্প তাদের। এ লক্ষ্যে নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অন্য অঙ্গসংগঠনগুলো। যেকোনো সময় ঘোষণা করা হবে নতুন কমিটি। এত চমক দেখাতে পারেন সাবেক ছাত্রনেতারা।

বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, সময়োপযোগী ও শক্তিশালী কমিটি গঠনই এখন প্রধান লক্ষ্য। দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা ইউনিটগুলোতে নতুন মুখ আনার মাধ্যমে সংগঠনে গতি ফেরানোর চেষ্টা চলছে। 

তারা জানান, পদায়নের ক্ষেত্রে কেবল সিনিয়রিটি নয়, গুরুত্ব পাবে বিগত আমলে মামলার সংখ্যা ও পুলিশের হাতে নির্যাতনের চিত্র। যারা বিগত কয়েক বছরে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তারাই হবেন নতুন কমিটির কান্ডারি। পদপ্রত্যাশীদের লবিং ও তদবিরেও এবার বিশেষ কড়াকড়ি থাকছে। ত্যাগী ও যোগ্য নেতাদের আমলনামা এখন হাইকমান্ডের টেবিলে।

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্তমান কমিটি ঘোষিত হয়েছে ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর। এর মধ্যে দলটির সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান দুজনই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে দুজনের কেউই আর আগের মতো সমায় দিতে পারছেন না। স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ সাধারণত ৩ বছর। বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে গেল বছরের সেপ্টেম্বরে। যদিও তারা পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে পারেননি।

সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াসিন আলী এবং সাংগাঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান। সাক্ষাতে কমিটি পুনর্গঠনের বিষয়ে তারা হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেন তারেক রহামন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শীর্ষস্থানীয় চার নেতার সঙ্গে আলোচনায় কমিটি পুনর্গঠনের বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। 

সভাপতি পদে আলোচনায় যারা 

নেতৃত্ব সংগঠনের ভেতরে থেকে আসবে নাকি বাইরে থেকে আনা হবে মূলত এ নিয়ে আলোচনা চলছে। সভাপতি পদে বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াসিন আলী ও সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানের নাম জোরালো আলোচনায় আছে। পাশাপশি আলোচনায় রয়েছেন সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম।

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা

সাধারণ সম্পাদক পদে সাধারণত সাবেক ছাত্রদল সভাপতি সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে একজনকে আনা হয়। এবার যারা আলোচনায় তাদের মধ্যে রয়েছেন— ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক  ইকবাল হোসেন শ্যামল ও সাইফ মাহমুদ জুয়েল। ঢাকা মহানগর দক্ষিন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিনের নামও রয়েছে আলোচনায়।

এছাড়াও আলোচনায় আছেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক কাজী মোখতার হোসাইন, আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাদরেজ জামানের নাম। কাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন, এম জি মাসুম রাসেল, নজরুল ইসলাম নোমান, শেখ ফরিদ হোসেন, ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুলের নামও আলোচনায় রয়েছে।


 

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়