সাতক্ষীরায় বিএনপির ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য প্রয়োজন কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব
সোহারাফ হোসেন সৌরভ সাতক্ষীরা : || বিএমএফ টেলিভিশন
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপিকে আবারও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও জনমুখী দলে পরিণত করতে এখন প্রয়োজন ত্যাগী, নির্লোভ, সৎ, নিষ্ঠাবান এবং কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব। এমন একজন দক্ষ সংগঠক, যিনি তৃণমূলের নেতা,কর্মীদের হৃদয়ের ভাষা বোঝেন, বিপদে পাশে থাকেন এবং আন্দোলন,সংগ্রামের রাজপথে সাহস যোগান।
অন্যথায়, সামনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সাতক্ষীরা জেলার সবকটি আসন হারানোর মতো লজ্জাজনক ও বিব্রতকর পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। দেশের বিভিন্ন জেলায় বিএনপি শক্ত অবস্থান তৈরি করলেও, সাতক্ষীরায় কাঙ্ক্ষিত সফলতা না পাওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ ছিল দক্ষ, ত্যাগী ও সুসংগঠিত নেতৃত্বের অভাব।
আজ সময় এসেছে সেই ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার।
সাতক্ষীরা জেলার সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতা,কর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য, আন্দোলন,সংগ্রামে পরীক্ষিত, দক্ষ ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বকে সামনে আনার জন্য কেন্দ্রীয় বিএনপির নীতিনির্ধারক এবং দেশনায়ক জনাব এর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছেন জেলার ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক জননেতা শেখ তারিকুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে দলের দুঃসময়ে রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। অসংখ্য নেতা-কর্মী গড়ে তুলেছেন নিজের হাতে। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে সাতক্ষীরায় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল। যখন অনেকেই নীরব, তখনও তিনি বুক চিতিয়ে রাজপথে থেকে (বিএনপি)নামটিকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন।
এই আন্দোলন,সংগ্রামের কারণেই তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে সীমাহীন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি খুলনা বিভাগের সর্বোচ্চ সংখ্যক মিথ্যা মামলার আসামিদের অন্যতম ছিলেন। বারবার কারাবরণ করেও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। শহীদ রাষ্ট্রপতি এবং দেশনেত্রী, এর আদর্শকে বুকে ধারণ করে তিনি আজও তৃণমূলের আস্থার প্রতীক হয়ে আছেন।
সাধারণ মানুষ ও কর্মীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা, উদারতা ও সীমাহীন ভালোবাসাই তাঁকে আজ সাতক্ষীরার অন্যতম কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তাই সাতক্ষীরা জেলার তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের প্রাণের দাবি,লাখো কর্মী গড়ার সেই সুদক্ষ কারিগর, ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব জননেতা শেখ তারিকুল হাসানকে পুনরায় সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখা হোক।
কারণ, নেতৃত্ব শুধু পদ নয়
নেতৃত্ব মানে সাহস, ত্যাগ, ভালোবাসা ও কর্মীদের হৃদয়ে বেঁচে থাকা।