ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে একমাত্র কাঠের ব্রীজটি রক্ষায় এলাকাবাসী,দাবী স্থায়ী ব্রীজের।

লালমনিরহাট প্রতিনিধি। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ রাত ০৮:৪৫, রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের মহিষতুলি এলাকার একমাত্র সংযোগ সেতুটিও ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

এই এলাকার প্রায় দশ হাজার মানুষের পারাপারের জন্য মালদহ নদীর ওপর কিছুদিন আগে জেলা যুবদলের সহযোগিতায় স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়।

কিন্তু বর্তমানে প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর স্রোতে অসংখ্য কচুরিপানা ভেসে এসে সেতুর পিলারে আটকে যাচ্ছে। ফলে সেতুর খুঁটিগুলো নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। সেতুর দুপারের সাধারণ মানুষ এবং স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের কথা বিবেচনা করে স্বেচ্ছায় কচুরিপানা পরিষ্কার করতে নেমেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করে তারা কিছু কচুরিপানা পরিষ্কার করতে পারলেও কাঠের সেতুটি এখনো ঝুঁকির মধ্যেই রয়েছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, "বৃষ্টির কারণে নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ডোবা-নালার কচুরিপানা স্রোতে ভেসে এসে আমাদের একমাত্র সংযোগস্থল কাঠের সেতুটিকে ভাঙনের মুখে ফেলেছে। আমাদের ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা এই সেতুর ওপর দিয়েই স্কুল-কলেজে যাতায়াত করে। তাই আমরা চেষ্টা করছি যেন সেতুটি টিকিয়ে রাখা যায়। আমাদের জোর দাবি, বর্তমান সরকার যেন এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করে দেয়।"
ভেলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল করিম বলেন, "এই এলাকার মানুষ এবং স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের চলাচলের দুঃখ-দুর্দশা দেখে আমাদের দলীয় যুবদলের পক্ষ থেকে সাময়িকভাবে এই কাঠের সেতুটি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এটি স্থায়ী কোনো সমাধান নয়। আমি লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রুকন উদ্দিন বাবুলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যেন তিনি দ্রুত এই এলাকায় একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা করেন।"

ভেলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জানান,এই এলাকায় একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি। এখানে স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের চলাচল খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আমরা স্থায়ী সেতুর জন্য দ্রুত আবেদন করব। আশা করি খুব শিগগিরই  এই সমস্যার একটি সহজ সমাধান হবে।

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়