বি এম এফ টেলিভিশনে সংবাদ প্রকাশ-মাটি ব্যবসায়ী মাসুদসহ তিনজনের জরিমানা

মেহেরপুর প্রতিনিধি: রাশেদ খান || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ সকাল ০৯:১৬, রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

মেহেরপুরে পুকুর সংস্কারের নামে চলছে মাটি বিক্রি, বেপরোয়া মাটি বিক্রি সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা মাসুদ শিরোনামে বিএমএফ টেলিভিশনসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।  অবৈধভাবে পুকুর সংস্কারের নামে মাটি কেটে বিক্রির সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর সদর উপজেলার সুবিদপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্ত মাসুদ, বুলু ও বাক্কারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

মেহেরপুরে পুকুর সংস্কারের নামে চলছে মাটি বিক্রি, বেপরোয়া মাটি বিক্রি সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা মাসুদ শিরোনামে বিএমএফ টেলিভিশনসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।  অবৈধভাবে পুকুর সংস্কারের নামে মাটি কেটে বিক্রির সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর সদর উপজেলার সুবিদপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্ত মাসুদ, বুলু ও বাক্কারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অভিযানকালে দেখা যায়, অনুমোদন ছাড়াই একাধিক স্থানে মাটি উত্তোলন ও পরিবহন করা হচ্ছিল। এতে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এ অপরাধে মাটি ব্যবসায়ীদের পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর ১৫ (১) ধারায় দশ হাজার করে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড না করার জন্য কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) সুমাইয়া জাহান ঝুরকা। 

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম জানান, অবৈধ মাটি উত্তোলনের কারণে জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে এবং এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এলাকাবাসী গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ ও প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা আশা করছেন, এর মাধ্যমে অবৈধ মাটি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং কৃষিজমি ও পরিবেশ সুরক্ষিত থাকবে।

উল্লেখ্য মেহেরপুর সদর উপজেলার সুবিদপুরে গ্রামের মাসুদ নামের এক ব্যক্তি বালুমহাল, মাটি ব্যবস্থাপনা ও ভূমি আইনের তোয়াক্কা না করে এবং স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন পুকুর সংস্কারের নামে বিপুল পরিমাণ মাটি উত্তোলন করে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করছিলেন। এলাকায় বছরের পর বছর অবৈধভাবে পুকুর খনন ও সংস্কারের নামে মাটি কাটা ও বালু উত্তোলনের মাধ্যমে মাটি ও বালু বিক্রি সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা হয়ে উঠেছে এই মাসুদ এমনই অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়