বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিষধর সাপ

মেহেরপুর প্রতিনিধি। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ সন্ধ্যা ০৭:৪৭, শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

মেহেরপুর জেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে দলের সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের পত্নী কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম বরেছেন- এদেশে গণতন্ত্র বিএনপিই এনেছে। বাকস্বাধীনতা ও সংস্কার এটা প্রথম বিএনপিই শুরু করেছে। আজ দেশ গভীর সংকটে। জাতি ঐক্যবদ্ধ না হলে আাবর ফ্যাসিষ্টরা আস্তানা গড়বে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিষধর সাপ। এখন গর্তে লুকিয়ে আছে। কিন্তু সুযোগ পেলেই জাতিকে আবার ছোবল দিবে। সাবধান।

মেহেরপুর জেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে দলের সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের পত্নী কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম বরেছেন- এদেশে গণতন্ত্র বিএনপিই এনেছে। বাকস্বাধীনতা ও সংস্কার এটা প্রথম বিএনপিই শুরু করেছে। আজ দেশ গভীর সংকটে। জাতি ঐক্যবদ্ধ না হলে আাবর ফ্যাসিষ্টরা আস্তানা গড়বে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিষধর সাপ। এখন গর্তে লুকিয়ে আছে। কিন্তু সুযোগ পেলেই জাতিকে আবার ছোবল দিবে। সাবধান।

সম্মেলনে খুলনা বিভাগীয় সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক সাবেক মন্ত্রী আমানুল্লাহ আমান বলেছেন, বিগত ১৬ বছর বাংলাদেশ ছিল গণতন্ত্র ও মানবতাহীন। ছিল একদলীয় শাসন ব্যবস্থা। তারপরও এই ষোল বছর বেগম খালেদা জিয়া পালিয়ে যাননি। তিনি বলেছিলেন আমার মৃত্যু হলেও এই দেশেই থাকবো। তাকে ওয়ান ইলেভেনে চলে যেতে বলেছিলেন, তিনি যাননি। তারেক রহমানকে বলেছিলেন বিদেশে চলে যেতে তিনিও যাননি। তিনি বলেছিলেন, মৃত্যু হলে এদেশের মাটিতে হবে।

অথচ- পালানোর একদিন আগেও শেখ হাসিনা বলেছিলেন, শেখের বেটি পালাই না, আওয়ামী লীগ পালাই না। একদিন পরেই সেই শেখ হাসিনা জনরোষে পালিয়ে গেছেন। শেখ হাসিনা তার গুষ্টি সহ বাংলাদেশের মাটি থেকে পালিয়ে গেছেন। হাজার হাজার ছাত্র জনতাকে হত্যার ভয় ছিলো বলেই তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি মেহেরপুর জেলা বিএনপির কাউন্সিলে উদ্বোধনী বক্তব্য একথা বলেন।

মেহেরপুর সরকারী কলেজ মাঠে অনুষ্টিত এই কাউন্সিলে তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ও তার দোষরদের বিচার এই দেশের মাটিতেই হবে এবং ফাঁসি হবে। কেউ বাঁচাতে পারবে না। এই সরকার আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছে। বাংলাদেশের মাটিতে তার তাদের রাজনীতি চলবে না। সামনের নির্বাচনে বিএনপি যাকেই প্রার্থী দেবে তাকেই ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচিত করতে হবে।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর মেহেরপুর জেলা বিএনপির সম্মেলন শুরু হয়েছে। আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১১টায় মেহেরপুর সরকারি কলেজ মাঠে জাতীয় ও দলীয় উত্তোলনের পর বেলুন ও পায়রা উড়য়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের পত্নী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম। আরও বক্তব্য রাখেন খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ড, মেহেরপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান, মেহেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা তাজ উদ্দিন খান। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাভেদ মাসুদ মিল্টনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলনে অংশ নিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে হাজারো নেতা-কর্মী সরকারি কলেজ মাঠে সমবেত হন। উল্লেখ্য, সর্বশেষ মেহেরপুর জেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৬ সালে।

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়