পাকিস্তানের বন্যায় মৃত্যু ৪০০ ছাড়ালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ রাত ০৮:১০, রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫, ৯ ভাদ্র ১৪৩২
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে চলমান বন্যায় প্রতিদিন বাড়ছে প্রাণহানি। এ নিয়ে গত ১৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০৬ জনে। দেশটির সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে চলমান বন্যায় প্রতিদিন বাড়ছে প্রাণহানি। এ নিয়ে গত ১৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০৬ জনে। দেশটির সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে প্রদেশজুড়ে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গত সপ্তাহে খাইবার পাখতুনখাওয়া সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। ঘরবাড়ি ধ্বংসের কারণে বহু পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়ে গেছে। বুনের, সোয়াত, শাংলা, মানসেহরাসহ একাধিক জেলা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দেরা ইসমাইল খান জেলার রেসকিউ ১১২২– এর মুখপাত্র বলেন, গত রাতে ভারি বর্ষণে জেলার আটজনের মৃত্যু হয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছাদ ধসে আহত হয়েছেন অন্তত ৪৮ জন।

পিডিএমএ’র সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত রাতে দেরা ইসমাইল খানে বৃষ্টিপাতে প্রদেশজুড়ে ১৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০৬। এর মধ্যে ৩০৫ জন পুরুষ, ৫৫ জন নারী এবং ৪৬ জন শিশু। বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৪৭ জন। এখন পর্যন্ত বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩ হাজার ৫২৬টি বাড়ি।

গত বৃহস্পতিবার প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) এক সতর্কতা জারি করে জানায়, ২২ থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত প্রদেশজুড়ে বৃষ্টি হতে পারে। এদিকে গত শুক্রবার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) রেড অ্যালার্ট জারি করে। এতে প্রাদেশিক ও জেলা প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়, কারণ ২৩ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত নতুন মৌসুমি বৃষ্টিপাত দেশজুড়ে বন্যার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এনডিএমএর তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ২৫ জুন থেকে শুরু হওয়া প্রবল বর্ষণে এখন পর্যন্ত অন্তত ৭৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ১ হাজারের বেশি মানুষ।

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়