বাংলাদেশের মানুষ নয়, ভারতের বন্ধু হাসিনা ও আ. লীগ: শামসুজ্জামান দুদু

অনলাইন ডেস্ক। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ বিকাল ০৩:৪৭, মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫, ৪ ভাদ্র ১৪৩২
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

বাংলাদেশ বা এ দেশের জনগণ নয়, হাসিনা ও আওয়ামী লীগ ভারতের বন্ধু বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ বা এ দেশের জনগণ নয়, হাসিনা ও আওয়ামী লীগ ভারতের বন্ধু বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দুদু বলেন, ভারতকে আমরা বন্ধু মনে করলেও সম্প্রতি তার আচার-আচারণ এতটাই বৈরী, যা ভাষায় ব্যাখ্যা করা মুশকিল। বাংলাদেশের মানুষকে তারা বন্ধু হিসেবে মনে করে না, হাসিনা ও আওয়ামী লীগ ছাড়া। হাসিনা ও আওয়ামী লীগই ভারতের বন্ধু। এই হাসিনা ফ্যাসিস্ট, গণহত্যাকারী, লুটেরা এবং জনরোষে গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে গেছে, যার বিচার চলছে, বিচার হবে। তাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। আমি এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।  

বিএনপি নেতা বলেন, এই হত্যাকারী, জনগণের সম্পদ লুণ্ঠনকারী হাসিনাকে অনতিবিলম্বে বাংলাদেশকে ফেরত দেওয়া হোক। তার বিচারে সহযোগিতা করার জন্য পাশের দেশকে আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, তারা আমাদের পানিতে মারতে চায়, ভাতে মারতে চায়, মুক্তিযুদ্ধের ভাবমূর্তিকে বিনষ্ট করতে চায়। তারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চায়। এই যাদের চরিত্র তাদের সঙ্গে আমাদের চলা কতটাই যে কঠিন ও ভয়ংকর সেটা ব্যাখ্যা করার অবকাশ রাখে না। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

দুদু আরও বলেন, এই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশি মানুষ কারও কখনো বশ্যতা শিকার করেনি। না ব্রিটিশ ভারতের, না পাকিস্তানের, না ফ্যাসিবাদের কোনো ক্রীড়ানকের। এই অঞ্চল সেই অঞ্চল, যারা নিজেদের স্বাধীনতা, স্বকীয়তার জন্য বারেবারে বিদ্রোহ করেছে, বারেবারে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে।

তিনি বলেন, একাত্তরে এ দেশের মানুষ জীবন দিয়েছে। অনেকে মনে করে ভারত আমাদের জয়গা দিয়েছে, প্রশিক্ষণ দিয়েছে, অস্ত্র দিয়েছে। এর বিনিময়ে তারা আমাদের কত সম্পদ লুণ্ঠন করেছে  একাত্তরের পর তা ব্যাখ্যা করে কঠিন। ট্রাকে ভরে তারা নিয়ে গেছে।

দুদু বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর ভারত প্রচার করার চেষ্টা করেছে, এ দেশের হিন্দু জনগোষ্ঠী নির্যাতিত; কিন্তু তা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের যখন পানির প্রয়োজন তখন তারা পানি দেয় না। যখন দরকার হয় না তখন তারা তিস্তা ও ফারাক্কার ব্যারেজ খুলে দেয়। তারা আমাদের ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে। এই এক বছরে প্রমাণ হয়েছে কে আমাদের সাহায্য করলো। বাংলাদেশের মানুষ সংগ্রাম করে বেঁচে আছে এবং টিকেও থাকবে।

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়