বিয়ের তিন মাস পর অপহরণ মামলা: মিথ্যা মামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, স্বামীর পরিবারের প্রতিবাদ

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ দুপুর ০২:০৬, রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে প্রেম করে বিয়ের প্রায় তিন মাস পর জান্নাতুন নেছা নামে এক তরুণীকে অপহরণের অভিযোগে তার স্বামী পায়েল আলীকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মামলাটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে ছেলের পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে পায়েল আলীর পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে মেয়ের পরিবার অপহরণের মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। তাদের দাবি, প্রায় তিন মাস আগে পারস্পরিক ভালোবাসার সম্পর্কের ভিত্তিতে পায়েল আলী ও জান্নাতুন নেছা বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা বাড়ি ছেড়ে চলে গেলেও পরে দুই পরিবারের সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসা হয়। এরপর জান্নাতুন নেছা স্বেচ্ছায় স্বামীর বাড়িতে প্রায় তিন মাস ধরে সংসার করে আসছিলেন।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই দিন আগে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশ পায়েল আলীর বাড়িতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। পরে জান্নাতুন নেছার বাবা হামিদুর রহমান তার মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ করেন।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই দাবি করেন, ঘটনাটি অপহরণের নয়। তাদের বক্তব্য, মেয়েটি দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে স্বামীর বাড়িতে বসবাস করেছেন এবং স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমে বিয়ের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছিল। তাই এতদিন পর ঘটনাটিকে অপহরণ হিসেবে উপস্থাপন করায় প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের মতে, যদি এটি সত্যিই অপহরণের ঘটনা হয়ে থাকে, তাহলে মেয়েটি কীভাবে দীর্ঘদিন স্বামীর বাড়িতে প্রকাশ্যে বসবাস করলেন এবং স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা হলো—সেসব বিষয়ও তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে জান্নাতুন নেছার বাবা হামিদুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।

Share This Article

আরো পড়ুন  

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়