কলেজে বিদায় অনুষ্ঠান শেষে বাড়িতে ফিরে কলেজ শিক্ষার্থীর শেষ বিদায়
আজিজুল ইসলামঃ || বিএমএফ টেলিভিশন
কুষ্টিয়া ইবি,র উজানগ্রাম ইউনিয়নের বারুইপাড়া গ্রামের পুরাতন মসজিদ পাড়ার সুরোত মোল্লার একমাত্র ছেলে সোহেল (২২) বৈদ্যুতিক শক খেয়ে মৃত্যু বরণ করে।
পরিবার সুত্রে জানা যায় সোহেল ইসলাম বাঁশগ্রাম আলাউদ্দীন আহম্মেদ ডিগ্রি কলেজের বিএম শাখার ছাত্র।শনিবার, কলেজের শিক্ষক ও বন্ধদের সাথে আড্ডা,গান বাজনা ও দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠান শেষে,বাড়িতে এসে শেষ বিদায় নিলেন সোহেল।মূহুর্তে সব কিছু এলোমেলো হয়ে যায় সোহেলের।আগামী দুই জুলাই সোহেলের এইচএসসি পরিক্ষা শুরু হবে বলে তার নিকতম বন্ধু নয়নের থেকে জানা যায়।নয়ন সহ তার বন্ধরা জানান, যে সোহেল অনেক ভালো ছেলে ও ভালো ছাত্র।শনিবার আমাদের কলেজে বিদায় অনুষ্ঠান ছিলো, সোহেল আমাদের সাথেই ছিলো, কত স্মৃতি যে আছে আমাদের বন্ধুদের ।সোহেলের মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না।
শনিবার সন্ধার দিকে করিমপুর বাজার থেকে কারেন্টের তার সহ কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে বাসায় আসে সোহেল। বাড়িতে এসে কারেন্টের কিছু কাজ শুরু করেন।সেই সময় এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় তিনি মেইম সুইচ বন্ধ না করেই কাজ শুরু করেন বলে জানা যায়।কিছুক্ষন পরেই বিদ্যুৎ চলে আসলে সেখানে তিনি গুরুত্বর ভাবে ক্যারেন্টের শক খেয়ে মাটিতে পরে যায়,হাতে থাকা তার পায়ের উপরে পরে।সেখানেই সোহেল মুমূর্ষু অবস্থায় চলে যায়।
স্থানীয় জনগন তাকে উদ্ধার করে দ্রত ইবি,র করিমপুর বাজারে নিয়ে স্থানীয় ডাক্তারকে দেখান,সেখানে ডাক্তার সোহেলকে মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনা এখানেই শেষ না, বাড়িতে সোহেলের লাশ নিয়ে আসলে কবর কাটা সহ ধোয়ানোর কাজের জন্য নিয়ে গেলে সোহেলের মূখ আবার একটু নড়ে উঠে বলে সোহেলের পরিবার জানান।আবার তাকে এম্বুলেন্স করে দ্রত কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত্য বলে ঘোষনা দেন।তবে সোহেলের পরিবারের দাবি সোহেল ততখনে বেচে ছিলেন।
তবে এই বিষয় নিয়ে এলাকায় চলেছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।সোহেলের অকাল মৃত্য গ্রামের প্রতিটি মানুষের বিবেককে নাড়া দিয়েছে।শোকে কাতর হয়েছে তার পরিবার সহ বন্ধু মহল।