হামলা-মামলা আর কারাবরণের মধ্যেও রাজপথ ছাড়েননি শেখ তারিকুল হাসান
ডেস্ক রিপোর্ট। || বিএমএফ টেলিভিশন
সাতক্ষীরা জেলার রাজনীতিতে ত্যাগ, সংগ্রাম ও সাংগঠনিক দক্ষতার এক পরিচিত নাম শেখ তারিকুল হাসান। জেলার সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কাছে তিনি একজন গ্রহণযোগ্য, আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত এবং কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে সুপরিচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের মধ্যেও রাজপথ না ছেড়ে দলের জন্য কাজ করে যাওয়ার কারণে তিনি আজও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে আছেন।
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান দলের দুঃসময়ে সংগঠনকে টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে মনে করেন দলের অনেক নেতা-কর্মী। তাঁদের মতে, যখন রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপির জন্য কঠিন সময় চলছিল, তখনও তিনি মাঠে থেকে নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় নেতৃত্ব দিয়েছেন।
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইফতেখার আলী বলেন, শেখ তারিকুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে অসংখ্য নেতা-কর্মী গড়ে তুলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে সাতক্ষীরায় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও আন্দোলন আরও গতিশীল হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি শতাধিক মামলার আসামি হয়েছেন, কিন্তু কখনও দলীয় আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশেও শেখ তারিকুল হাসান রাজপথে সক্রিয় থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করেছেন। আন্দোলন-সংগ্রামের কারণে তাঁকে একাধিকবার কারাবরণ করতে হয়েছে। শুধু তিনি নন, তাঁর পরিবারও নানা ধরনের চাপ, হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তবে সকল বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে তিনি দলের প্রতি আনুগত্য ও রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি অটল থেকেছেন।
জেলার তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করেন, সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা, উদারতা ও সহমর্মিতার কারণেই তিনি একজন কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নেতা-কর্মীদের প্রতি ভালোবাসা আজও তাঁকে জেলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রেখেছে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সময়কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে শেখ তারিকুল হাসান বলেন, নেতৃত্ব শুধু কোনো পদ বা পরিচয়ের বিষয় নয়। নেতৃত্ব মানে সাহস, ত্যাগ, ভালোবাসা এবং কর্মীদের হৃদয়ে বেঁচে থাকা। আমি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী একজন রাজনৈতিক কর্মী। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে দীর্ঘ পথচলায় হামলা, মামলা, পুলিশি হয়রানি এবং রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছি। কিন্তু কখনও রাজপথ ছেড়ে যাইনি। দলের জন্য কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করে যাব।
তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র রক্ষা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে থাকাই আমার রাজনৈতিক জীবনের প্রধান লক্ষ্য। অতীতের মতো আগামীতেও জনগণ ও দলের স্বার্থে রাজপথে সক্রিয় থাকব। দলের জন্য প্রয়োজন হলে যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে আমি প্রস্তুত।
সাতক্ষীরা জেলার বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশের বিশ্বাস, অভিজ্ঞতা, ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কর্মীবান্ধব মনোভাবের কারণে শেখ তারিকুল হাসান ভবিষ্যতেও জেলার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তাঁদের মতে, সংগ্রামমুখর রাজনৈতিক জীবনের কারণেই তিনি আজও নেতা-কর্মীদের কাছে একজন আস্থাভাজন ও জনপ্রিয় নেতৃত্বের প্রতীক।