সামান্য বৃষ্টি হলেই হাটুঁ সমান কাদা চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

মোঃ হানিফ মিয়া রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী প্রতিনিধি || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ সকাল ০৯:৫৭, বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে বর্ষা শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ভোগান্তিতে কয়েকশত মানুষ।

রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের কাচা রাস্তার বেহাল দশা। বর্ষা শুরু হওয়া মাত্রই সড়ক যেন মরন ফাদে পরিনত হয়েছে।

মধুখালী বাধঘাট থেলে কাটাখালী বাজার হয়ে বড়বাইশদিয়া এ হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয় যেতে চার কিলোমিটার কাচা রাস্তা, এর ভিতরে তিনটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কয়েকশত স্কুলের কচিকাচা ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করেন। পথচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই কাঁচা রাস্তাটি। সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁচা সড়কগুলো কর্দমাক্ত ও পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায়, কয়েকশ স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীর যাতায়াত চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। রাস্তাগুলো কাঁদায় একাকার হয়ে যাওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাপড় ও বইখাতা নষ্ট হওয়া, পিছলে পড়ে আহত হওয়া এবং বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির হার বেড়ে যাওয়ার মতো নিয়মিত সমস্যা সৃষ্টি হয়।

বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান কাঁদা আর পানি জমে জলাশয়ে সৃষ্টি হয়। ফলে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বৃষ্টির পানি ও মাটি মিশে কাঁদায় একাকার হয়ে যায় পুরো রাস্তা। এতে বিপাকে পড়েন ওই এলাকার শত শত মানুষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মধুখালী হতে বড়বাইশদিয়া এ হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ৪ কি.মি  দুরত্বের সড়কটি কাঁদায় ভরপুর। এ এলাকায় প্রায় ৯শত পরিবারের বসবাস। এ রাস্তায় প্রতিদিন চলাচল করে ৭ শতাধিকের অধিক লোকজন। বিকল্প কোনো রাস্তার ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তার অভাবে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ওই গ্রামের লোকজনকে হাঁটু সমান কাঁদা মাড়িয়েই চলাচল করতে হয়। যাতায়াতে অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে দাড়ায়। ফলে সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের।

স্থানীয়দের দাবী অতিদ্রুত রাস্তাটি কার্পেটিং করে এলাকাবাসীকে জণদূর্ভোগের হাত থেকে রক্ষা করা হোক।

Share This Article

আরো পড়ুন  

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়