ক্ষত না শুকাতেই নেপালে ফের আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ সকাল ১০:০৫, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

নেপাল ও তিব্বতে আবারও ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে।  নদীতে ভেসে আসা বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ নতুন করে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক সমন্বিত পার্বত্য উন্নয়ন কেন্দ্র (আইসিআইএমওডি)।  খবর বিবিসির

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে স্থানীয়রা যখন দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন,ঠিক তখনই উজান থেকে ১০০ মিটার উঁচু এক দানবীয় পানির দেয়াল ধেয়ে আসে। তিমুরে বাজার এলাকা চোখের পলকে বিলীন হয়ে যায়।  স্রোতে তলিয়ে যায় কাস্টমস পয়েন্টে অপেক্ষমাণ তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও গাড়ি।

এই আকস্মিক বন্যার পেছনে প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পকে দায়ী করা হলেও এর জন্য হিমবাহ ধস ও ভূমিধস দায়ী বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)।

ভয়াবহ এই বন্যায় নেপাল ও তিব্বতের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।  ঘটনার পর আইসিআইএমওডি একটি বিস্তারিত মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের সঙ্গে নদীতে ভেসে আসা ধ্বংসাবশেষের কারণে দ্বিতীয় দফায় বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বর্তমানে খতিয়ে দেখছেন, ত্রিশূলী নদীর সরু অংশগুলোর কোথাও ধ্বংসাবশেষ জমে নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে আটকে গেছে কি না। যদি এমনটি হয়ে থাকে, সেখানে ধ্বংসাবশেষ ও মাটি জমে একটি ‘ভূমিধসজনিত বাঁধ’ তৈরি হতে পারে।

এ ধরনের প্রাকৃতিক বাঁধ হঠাৎ ভেঙে গেলে জমে থাকা পানি দ্রুত নিচের দিকে নেমে গিয়ে আরও একটি ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি করতে পারে।

কর্তৃপক্ষ ও বিজ্ঞানীরা বর্তমানে সম্ভাব্য এসব বাধার আকার, অবস্থান এবং কতটা স্থিতিশীল—তা পরীক্ষা করে দেখছেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী ঝুঁকি সম্পর্কে আরও তথ্য দেওয়া হবে।

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়