কুষ্টিয়া প্রতিবন্ধী ভূমিহীন নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আটক
বিএমএফ টেলিভিশন ডেস্ক || বিএমএফ টেলিভিশন
কুষ্টিয়া ইবি থানার ঝাউদিয়া ইউনিয়ন বৈদ্যনাথপুর গ্রামে ধর্ষণের ভুক্তভোগী মোছাঃ ইসমা খাতুন(৩৮) স্বামীঃ হাসমত আলী পিতাঃ মোঃ কমরুজ্জামান। ধর্ষণের ভুক্তভোগী নারী এবং তার স্বামীর নিজস্ব কোন জমি জমা নেই। তিনি একজন ভূমিহীন অন্যের পরিত্যক্ত বাড়িতে সপরিবারে বসবাস করেন।
ভুক্তভোগী নারী ঘরের বারান্দায় বসে কাঁথা সেলাই করছিল তখন একই গ্রামের পাশের বাড়ির প্রতিবেশী মোঃ ফারুক হোসেন(৪৫) পিতা. মৃত হবিবার ভিকটিম কে জাপটে ধরে জোর করে ঘরের ভিতর নিয়ে ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগী নারীর ঘরের ভিতরে চিৎকার শুনে পাশের বাড়ির প্রতিবেশী মো. পল্টু(৫০) পিতাঃ মৃত মকছেদ মন্ডল এবং মোঃ বাদশা পিতাঃ মৃত হাগো মন্ডল লাঠি নিয়ে দৌড়ে আসে,তখন ধর্ষণের অভিযুক্ত মোঃ ফারুক ঘরের জালনা ভেঙ্গে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী নারীর সাথে ধস্তাধস্তি সময় ঐ নারীর চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। বিষয়টি জানাজানি না করার জন্য ভুক্তভোগী এবং তার স্বামীকে চাপ প্রয়োগ করে বিষয়টি চাপা রাখে।
অদ্য ১৬/০৭/২৬ খ্রি. সময়ঃ দুপুর ১২:৩০ ঘটিকায় ভিকটিম আইনি সহায়তার জন্য ঝাউদিয়া পুলিশ ক্যাম্পে যাওয়ার পথে। ধর্ষণের অভিযুক্ত ফারুক কে বাঁচানোর জন্য একই গ্রামের মোঃ মাসুম(৩৫) পিতা. মো. নুরুল(সাবেক মেম্বার) এবং মিঠু সরদার(৫০) পিতা. খবিবার সরদার ভিকটিমকে ঝাউদিয়া পুলিশ ক্যাম্পে না যাওয়ার জন্য পথ অবরোধ করে এবং যেতে বাধা দেয়। আশপাশের মানুষ ভুক্তভোগী নারীর প্রতি অন্যায় অবিচার দেখে মোঃ মাসুম কে চড় থাপ্পর দেয়। বিষয়টি নিয়ে বৈদ্যনাথপুর গ্রামের ভুক্তভোগী নিরীহ নারীর পক্ষে এবং বিপক্ষে দুইটা পক্ষ নিয়েছে।ভিকটিমের ধর্ষণের অভিযুক্ত মো ফারুক এর পক্ষের লোকজন ভিকটিমের পক্ষের লোকজনদের সাথে মারামারি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।ভুক্তভোগী এবং তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতার কারণে ঘরে যেতে পারছে না।অন্যের বাড়িতে অবস্থান করতেছে।
ইবি থানা পুলিশের কঠোর অভিযানে ঝাউদিয়া পুলিশ ক্যাম্পের সহযোগিতায় অভিক্ত ফারুককে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আটক করে ইবি থানা পুলিশ।
বাকপ্রতিবন্ধী ভূমিহীন নারী কে ধর্ষণের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।