পাহাড়ধসের শঙ্কায় বিদ্যালয় ও কলেজের ভবন

ডেস্ক রিপোর্ট। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ দুপুর ১২:০১, শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

ভবনের গোড়ায় মাত্র দুই হাত মাটি অবশিষ্ট আছে বান্দরবানের চাম্বি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের চারতলা ভবনের। আশপাশের বাউন্ডারি দেয়াল ও মাটি আগেই ধসে পড়ে প্রায় ৩০ ফুট নিচে নেমে গেছে। 

কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের শঙ্কার মুখে আছে ভবনটি। ১৩ বছর আগে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হয়। 

শুক্রবার (১০ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের গোড়াতে মাত্র দুই হাতের মতো মাটি অবশিষ্ট রয়েছে। বাকি মাটিগুলো সব পাহাড়ধসে বাউন্ডারি ওয়ালসহ প্রায় ৩০ ফুট নিচে নেমে গেছে। যার কারণে ৪ তলা ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিতে রয়েছে। 

অন্যদিকে ভবনের নিচে রয়েছে অসংখ্য বাড়িঘর। এ ভবন ধসে পড়লে একদিকে যেমন সরকারি ক্ষতি হবে এবং কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের প্রাণহানি ও  শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হবে। এমনকি পাহাড়ের নিচে থাকা পরিবারগুলোর প্রাণহানিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দ তৌহিদুর রহমান বলেন, ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সন্তানদের যদি এখানে পাঠদান করানো হয়, যে কোনো সময় ধসে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঝুঁকির মধ্যে সন্তানকে কলেজে পাঠাব কিনা চিন্তায় রয়েছি।

কলেজের অধ্যক্ষ আবু হানিফ জানান, বিগত অর্থ বছরে আমরা জেলা পরিষদে আবেদন করে ৫০ লাখ টাকা বাজেটের একটা গাইড ওয়ালের আবেদন করেছিলাম। জেলা পরিষদের প্রকৌশলী এসে দেখেও গিয়েছিল। কিন্তু অজানা কারনে সেটি আর হয়নি। তবে ঝুঁকি এড়াতে শিক্ষার্থীদের বর্তমানে অন্যভবনে সরিয়ে নিয়ে পাঠদান করানো হচ্ছে।

আজিজনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন মহরম বলেন, প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীর একটা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হলে বোর্ড পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বান্দরবান জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জসিম উদ্দিন বলেন, অধ্যক্ষ আমাকে ফোন করেছিলেন। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আপাতত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাশ না নেয়।


 

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়