২১ ঘণ্টার বৈঠকে ১২ বার ট্রাম্পকে ফোন করেছিলেন ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ দুপুর ১২:০৪, সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩৩
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

ইসলামাবাদে চলা ২১ ঘণ্টার বৈঠকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অন্তত ডজনখানেকবার ফোন করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। এসময় সিদ্ধান্ত নিতে আরও কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন প্রতিনিধি দল। তবে এসব আলোচনায় ফল হয়নি। 

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত তথা ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বিরতির আলোচনাও থেমেছে সিদ্ধান্ত ছাড়াই। গত শনিবার প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলা এই শান্তি আলোচনা ফলহীনভাবে শেষ হয় বলে জানান ভ্যান্স। 

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলছিলাম। ঠিক কতবার কথা হয়েছে জানি না—গত ২১ ঘণ্টায় হয়তো অর্ধডজন বা এক ডজনবার।’

ভ্যান্স আরও জানান, প্রতিনিধি দলটি অ্যাডমিরাল ব্রাড কুপার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং জাতীয় নিরাপত্তা দলের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় যোগাযোগে ছিলাম, কারণ আমরা সৎভাবে আলোচনা করছিলাম। আমরা এখান থেকে একটি চূড়ান্ত ও সর্বোত্তম প্রস্তাব নিয়ে ফিরছি।’

কেন ভেঙে গেল আলোচনা, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে অস্বীকৃতি জানালেও ভ্যান্স জানান, মূল বিরোধের বিষয় ছিল পারমাণবিক অস্ত্র। তিনি বলেন, ‘স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনো সক্ষমতাও অর্জন করবে না, যা দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সহায়তা করবে।’

তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘মূল লক্ষ্য’ বলে উল্লেখ করে আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদে ইরানের কাছ থেকে এই প্রতিশ্রুতি চাইলেও এখনো তা পায়নি। তবে আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে তা পাওয়া যাবে।

অন্যদিকে, ইরান এই অচলাবস্থার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘অযৌক্তিক’ দাবিকে দায়ী করেছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, ‘ইরানের প্রতিনিধি দল ২১ ঘণ্টা ধরে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় নিবিড়ভাবে আলোচনা করেছে। কিন্তু মার্কিন পক্ষের অযৌক্তিক দাবির কারণে কোনো অগ্রগতি হয়নি এবং আলোচনা শেষ হয়ে যায়।’


 

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়