ডিজেল ও এলএনজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় আরও ৪ জাহাজ
ডেস্ক রিপোর্ট। || বিএমএফ টেলিভিশন
দুই লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে সোমবার (৯ মার্চ) বিকালে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে আরো দুটি জাহাজ। সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা ডিজেলবাহী জাহাজ দুটি বন্দরে পৌছালে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষে রাতেই খালাস কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। দুই জাহাজে এক লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন করে মোট দুই লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল রয়েছে।
এছাড়া আগামী ২১ মার্চ সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী ধান্না বন্দর থেকে অপরিশোধিত তেল(ক্রুড অয়েল) নিয়ে আরেকটি জাহাজ বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার শিডিউল রয়েছে। ওই জাহাজটিতেও এক লাখ টন তেল আনার কথা রয়েছে। তবে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি নয়, বিকল্প নৌপথ হয়ে দেশে আসবে।
এদিকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) নিয়ে নর্ডিক পলাঙ নামের একটি জাহাজ সৌদি আরবের রাস তানুয়া বন্দরে আটকা পড়েছে। গত ২ মার্চ জাহাজটির চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা ছিলো। নির্ধারিত সময়ের আগেই জাহাজটিতে ক্রুড অয়েল লোড করা হলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সেটি এখনও বন্দরে নোঙর করে আছে। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় তেল ভর্তি জাহাজটি রওনা দিতে পারেনি।
এছাড়া কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৬২ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল ‘লিব্রেথা’ নামের একটি ট্যাংকারের। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঘিরে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করায় ট্যাংকারটি এখন পারস্য উপসাগরেই আটকে আছে। প্রণালিতে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল শুরু না হওয়ায় এটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করতে পারেনি।
তবে এরইমধ্যে চারটি এলএনজিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসতে শুরু করেছে। ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি জাহাজ ইতিমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। এ ছাড়া আজ সোমবার ‘লুসাইল’ ও বুধবার ‘আল গালায়েল’ নামে আরও দুটি জাহাজ বন্দরের জলসীমায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে এই চার জাহাজে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। এছাড়াও গত বুধবার খোলাবাজার থেকেও দুটি এলএনজি কার্গো কেনা হয়েছে।