হঠাৎ বিক্ষোভের ডাক জামায়াতের

ডেস্ক রিপোর্ট। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ সকাল ১১:১৩, শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

সকালে হঠাৎ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ তুলে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। জুমা’র নামাজের পর ডাকা এ বিক্ষোভে রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

এতে জানানো হয়, জুমার নামাজের পর রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচিতে রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পোস্টে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত রায় প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানানো হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলেন দলের নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “গতকাল আমরা একটি রাজসাক্ষী পেয়েছি। সেই রাজসাক্ষীর নাম হচ্ছে সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রিজওয়ানা। তিনি সাংবাদিকদের কাছে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন, যা থেকে বোঝা যায় নির্বাচনকে প্রভাবিত করার বিষয়টি তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, কী ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে মূলধারার প্রধান দল হিসেবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, তা জাতির সামনে পরিষ্কার করতে হবে। একই সঙ্গে এ প্রক্রিয়ায় আর কারা জড়িত ছিলেন, তা তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটনের দাবি জানান তিনি।

তাহেরের অভিযোগ, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে—ডিসি, এসপি, ইউএনও, ওসি ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের নিয়োগসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট দলকে জেতানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।


 

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়