রাঙ্গাবালী'তে ল্যাট্রিন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে ভেঙে যাচ্ছে মালামাল, যাতায়াত খরচও নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা : || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ সন্ধ্যা ০৬:০২, বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে চলমান ল্যাট্রিন নির্মাণ কার্যক্রম নিয়ে উঠেছে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নিম্নমানের মালামাল সরবরাহ ও ভোক্তভোগীদের কাছ থেকে যাতায়াত খরচ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন উপকারভোগীরা।

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে চলমান ল্যাট্রিন নির্মাণ কার্যক্রম নিয়ে উঠেছে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নিম্নমানের মালামাল সরবরাহ ও ভোক্তভোগীদের কাছ থেকে যাতায়াত খরচ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন উপকারভোগীরা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রকল্পভুক্ত প্রত্যেকটি ল্যাট্রিনের জন্য সরকারি বরাদ্দ রয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। অথচ যেসব রিং-স্লাব সরবরাহ করা হচ্ছে তার মান এতই নিম্নমানের যে, রিং তোলার সময়ই ভেঙে যাচ্ছে। এছাড়া মালামাল আনার জন্য বাড়তি খরচ ভোক্তভোগীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগী ফিরোজ আলম, রোকসনা বেগম ও কামরুল হাসান অভিযোগ করে বলেন, সরবরাহ করা ল্যাট্রিনের মালামালের মান এতটাই নিম্নমানের যে ছয় মাসও টিকবে না। রিং-স্লাবগুলো উঠাতে গেলেই ভেঙে যাচ্ছে। এইসব সামগ্রীর মূল্য সর্বোচ্চ ১০-১৫ হাজার টাকা হতে পারে।

একজন ভুক্তভোগী জানান, ল্যাট্রিনের মালামাল আনতে তার ১,৪০০ টাকা খরচ হলেও তাকে মাত্র ৩০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। কাঠগুলো এতই নিম্নমানের যে জ্বালানির লাকড়ির চেয়েও খারাপ। রিং-স্লাব এত দুর্বল যে হাতে নিলেই ভেঙে যাচ্ছে।

তারা আরও বলেন, যাতায়াতের খরচ দেওয়ার কথা থাকলেও এক টাকাও দেওয়া হয়নি।

অনেকেই অভিযোগ করেন, প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকায় থাকা সত্ত্বেও ল্যাট্রিন সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন, বরং কিছু অসাধু ব্যক্তির মাধ্যমে প্রভাব খাটিয়ে মালামাল তোলা হচ্ছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সাথী বেগম বলেন, সব কিছুই নিয়ম অনুযায়ী দেওয়ার কথা। তবে অভিযোগের বিষয়টি জানতে পেরে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদ ভূঞা মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি আমি অবহিত হয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, এ অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

Share This Article

আরো পড়ুন  

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়