গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘর পুরে ছাই ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি, পরিবারের আহাজারি, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি
মোঃ হানিফ মিয়া, রাঙ্গাবালী ( পটুয়াখালী ) সংবাদদাতা : || বিএমএফ টেলিভিশন
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ২টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সবুজ চৌকিদারের বসতঘর। এতে নগদ টাকা, আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আনুমানিক ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ২টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সবুজ চৌকিদারের বসতঘর। এতে নগদ টাকা, আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আনুমানিক ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
ঘটনার সময় ঘরে ছিলেন তার ছেলের প্রতিবন্ধী স্ত্রী ও দুটি নাতি। আগুনে তাদের জীবন হুমকির মুখে পড়লেও সৌভাগ্যক্রমে তারা বেঁচে যান। সবুজ চৌকিদার জানান, মামলার আসামি হওয়ায় তিনি অন্যত্র ঘুমাচ্ছিলেন। আগুন লাগার খবর পেয়ে দৌড়ে এসে দেখেন, সব কিছু ছাই হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ঘরে নগদ ১ লাখ ৮১ হাজার টাকা ছিল, সব পুড়ে গেছে। আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। এই আগুন পরিকল্পিতভাবে লাগানো হয়েছে। আমাদের কাটাখালী গ্রামের তিনজনকে সন্দেহ করছি—বেল্লাল চৌকিদার, রিগান চৌকিদার ও সাগর চৌকিদার।
ঘটনার পর তিনি রাঙ্গাবালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. জাফর হাওলাদার বলেন, রাতে ডাকাডাকির শব্দ শুনে এসে দেখি সবুজের বাড়িতে আগুন জলছে, আমরা চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারিনি। খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। আমরা চাই প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা দিক।
আরেক বাসিন্দা রফিক সিকদার বলেন, প্রতিবন্ধী নারী ও শিশুরা ঘরে ছিল। সৌভাগ্য যে তারা বেঁচে গেছে। কিন্তু ঘর ও মালামাল পুড়ে গেছে, পরিবারটি এখন পথে বসেছে।
এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তার ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা প্রদান করুক প্রশাসন।