রাঙ্গাবালীতে পাকা রাস্তা না থাকায় ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

রাঙ্গাবালী(পটুয়াখালী )প্রতিনিধি || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ সকাল ১০:০৮, বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

রাঙ্গাবালীর বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নে বিভিন্ন রবিশষ্য, ধানসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ একটি এলাকা। এই ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক  পথ হচ্ছে  মন্নানের খেয়াঘাট থেকে উত্তর গাববুনিয়া নুরানি মাদ্রাসা হয়ে বার নং ডিগ্রি বাজার পর্যন্ত। বর্তমানে এই রাস্তার বেহাল দশার কারণে থমকে আছে উপজেলা মুখি হাজারো  মানুষের যাতায়াত, এছাড়াও বাসেদ সরদার টেকনিক্যাল ইনিইস্টিউট নুরানী মাদ্রাসা, গাববুনিয়া সরকারি প্রাঃ বিদ্যালায়, গাববুনিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে, ১২ নং ডিগ্রি বাজার, লঞ্চঘাট ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই রাস্তাটি।  বর্ষা আসলেই ঝুলে থাকে কৃষকসহ হাজার হাজার মানুষের ভাগ্যের চাকা। মাত্র ৪ কিলোমিটার সড়কটি এখন এই অঞ্চলের মানুষের গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছে। তবুও দৃষ্টি নেই কর্তৃপক্ষের।

বছরের পর বছর রাস্তাটি পাকা না করার কারনে মানুষ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ট্রলি চলাচলে রাস্তার যে গর্ত হয়েছে  পায়ে হেঁটে পার হওয়াই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

যার কারণে এই অঞ্চলের লঞ্চ যাত্রী, বিদ্যালয়ের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা ও কৃষক শ্রমিকসহ হাজার হাজার মানুষ তাদের কৃষিপণ্য ও অন্যান্য উপকরণ পরিবহন করতে পারছেন না।  টমটমও চলাচল করতে পারছে না এবং ঢাকার লঞ্চে মালামাল সরবরাহ করতে  সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি একজন মূমূর্ষ রোগী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নেওয়ার মত উপায় নেই, ফলে অনেক অসুস্থ রোগী পথেই মৃত্যুবরন করার ঘটনা ঘটেছে। যার কারণে কৃষকরা বাধ্য হয়েই ধান, কাচামালসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণগুলো কম মূল্যে খড়িদদারের কাছে বিক্রি করে দেন। এতে করে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন বছরের পর বছর। রাস্তাটি অবস্থা এতই খারাপ যে, শুকনো ও বর্ষা মৌসুমে এই অঞ্চলের শত শত শিক্ষার্থীদের দীর্ঘপথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দিয়ে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। এছাড়াও মাত্র এই ৪কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তার কারণে থমকে আছে এই অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক ভাগ্যের চাকা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো: জসিম হাওলাদার বলেন দেশের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে শহরের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কথা থাকলেও আমরা এ সুবিধা থেকে দূরে আছি। আমরা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করছি যাহাতে রাস্তা টি দ্রুত পাকা হয়।
বড়বাইশদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো: ফরাদ হোসেন  বলেন, এই রাস্তাটি বর্তমানে চলাচলে চরম দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর এই রাস্তাটি  পাকা করার জন্য  আবেদন করেছি। আমি আশা করি দ্রুতই সমাধান পাবে স্থানীয় জনগণ।

Share This Article

আরো পড়ুন  

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়