চীনের ‘সুপারসনিক মিসাইল’ কেনার চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ সকাল ১০:৪০, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

চীনের তৈরি সিএম–৩০২ সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ মিসাইল (ক্ষেপণাস্ত্র) কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে ইরান। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তত দুই বছর আগে শুরু হওয়া আলোচনা গত জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনের সংঘাতের পর গতি পায়। প্রায় ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র সমুদ্রপৃষ্ঠের কাছ দিয়ে সুপারসনিক গতিতে উড়তে সক্ষম, যা শত্রুপক্ষের জাহাজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিএম–৩০২ মোতায়েন হলে ইরানের সমুদ্রভিত্তিক আক্রমণ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।

তবে সম্ভাব্য চুক্তিতে কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত থাকবে, ইরান কী পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করবে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীন শেষ পর্যন্ত চুক্তি কার্যকর করবে কি না—এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে তেহরানের বিদ্যমান সামরিক ও নিরাপত্তা চুক্তি রয়েছে এবং প্রয়োজনে সেগুলো কার্যকর করা হবে।

এদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির বিষয়ে অবগত নয় বলে জানিয়েছে। হোয়াইট হাউস সরাসরি মন্তব্য না করলেও এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে চলমান আলোচনার প্রসঙ্গ তুলে সতর্ক করেছেন—সমঝোতা না হলে তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

বিশ্লেষকদের অভিমত, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব পড়তে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিষয়টি কোন দিকে গড়ায়, সেটিই এখন পর্যবেক্ষণের বিষয়।

সূত্র: ফক্স নিউজ

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়