বিসিবি থেকে সাড়া না পেয়ে ফেসবুক লাইভে যা বললেন বিজয়

স্পোর্টস ডেস্ক। || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ বিকাল ০৩:২৪, রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

বিপিএলের দ্বাদশ সংস্করণের নিলাম ঘিরে বিতর্কের মধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কর্তৃক নিলামের চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়া আট ক্রিকেটারের অন্যতম এনামুল হক বিজয় বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিসিবি ‘রেড ফ্ল্যাগ জোনে’ চিহ্নিত করে ম্যাচ ফিক্সিং সংক্রান্ত অভিযোগে ৩২ বছর বয়সী এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানকে বাদ দিয়েছে। বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগে ব্যর্থ হয়ে বিজয় অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন এবং অভিযোগের প্রমাণ দাবি করেন।

বিপিএলের দ্বাদশ সংস্করণের নিলাম ঘিরে বিতর্কের মধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কর্তৃক নিলামের চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়া আট ক্রিকেটারের অন্যতম এনামুল হক বিজয় বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিসিবি ‘রেড ফ্ল্যাগ জোনে’ চিহ্নিত করে ম্যাচ ফিক্সিং সংক্রান্ত অভিযোগে ৩২ বছর বয়সী এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানকে বাদ দিয়েছে। বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগে ব্যর্থ হয়ে বিজয় অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন এবং অভিযোগের প্রমাণ দাবি করেন।

ফেসবুক লাইভের শুরুতেই বিজয় অভিযোগ করেন যে, তিনি ফোন বা মেইলের মাধ্যমে বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাননি। তাই বাধ্য হয়ে তিনি লাইভে এসেছেন।

ক্ষুব্ধ বিজয় বিসিবি এবং বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কাছে সরাসরি প্রশ্ন করেন, "আমার প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে, নিউজের পর আমি ড্রাফট (নিলাম) থেকে বাদ পড়লাম, এর কারণটা কী? আমি কি দোষী? দোষী হয়ে থাকলে প্রমাণ চাই। আমি যদি দোষী হয়ে থাকি, আমাকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করে দেন।"

তিনি যোগ করেন, দোষী না হলে তাঁকে যে অপমান করা হলো এবং ছোট করা হলো, তার জবাব কে দেবে? তাঁর সম্মান কে ফিরিয়ে দেবে?

বিসিবি কর্তৃক ব্যবহৃত ‘রেড ফ্ল্যাগ জোনের’ প্রকৃত অর্থ কী, তা জানতে চেয়েছেন বিজয়। এছাড়াও, সর্বশেষ বিপিএল চলাকালীন বিসিবির অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের সঙ্গে তাঁর যে ব্যক্তিগত মিটিং হয়েছিল এবং সেখানে তাঁকে যে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সেই অভ্যন্তরীণ তথ্য বাইরে প্রকাশ হলো কীভাবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

বিজয় বলেন, "আমার প্রশ্ন হলো—বিসিবির অ্যান্টি–করাপশনের সঙ্গে আমার যে মিটিং হয়েছিল, তাঁরা আমাকে যে প্রশ্নগুলো করেছিল— সেগুলো কীভাবে প্রকাশ হলো? বিসিবি ও খেলোয়াড়দের অভ্যন্তরীণ তথ্য সাংবাদিকদের কাছে কে ফাঁস করে?"

ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে বিজয় সর্বশেষ বিপিএলে নিজের পারিশ্রমিক বকেয়া থাকার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত মৌসুমে তাঁর ৫০ লাখ টাকার চুক্তি ছিল, যার মধ্যে তিনি মাত্র ২০ লাখ টাকা পেয়েছেন। বাকি ৩০ লাখ টাকা আজও পাননি।

"গত এক বছরে অসংখ্য ফোন করেছি, ইমেইল করেছি, বিসিবি ও বিপিএলের দায়িত্বশীলদের অফিসে গিয়েছি। রাজশাহী দলের দেওয়া চেক দেখিয়েছি— কিন্তু তাতে কোনো টাকা নেই। কেন পাইনি? কারণ জানতে চাই," বিজয়ের ভাষ্য।

ফেসবুক লাইভের শেষে নিজেকে ১০০ শতাংশ সৎ দাবি করে বিজয় তাঁর সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে, বিসিবি বিষয়গুলো দেখবে ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
 

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়