আরিচা পি সি পোল কারখানায় ঠিকাদারি অনিয়মের অভিযোগ নির্বাহী প্রকৌশলীর নীরবতা প্রশ্নের মুখে

বিএমএফ টেলিভিশন ডেস্ক || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ রাত ০৯:১১, শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

ছবি: বিএমএফ টেলিভিশন।

বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (BPDB)-এর পি সি পোল নির্মাণ প্ল্যান্টা বিউবো আরিচা কারখানায় বিভিন্ন সিভিল মেরামত কাজ ও উপকরণ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (BPDB)-এর পি সি পোল নির্মাণ প্ল্যান্টা বিউবো আরিচা কারখানায় বিভিন্ন সিভিল মেরামত কাজ ও উপকরণ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, মেরামত কাজ ঠিকাদারের মাধ্যমে সম্পন্ন না করে ঠিকাদারের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে কাজ করানোসহ টেন্ডার, উপকরণ মজুদ ও বিল অনুমোদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে কারখানায় পাথর, বালি, এম এস কালো তারসহ বিভিন্ন উপকরণের টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়ায় বড় অঙ্কের অর্থ জড়িত এর মধ্যে

পাথর টেন্ডার: প্রায় ১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা

প্রথম ধাপে সিলেকশন বালি: প্রায় ৪৯ লাখ টাকা

দ্বিতীয় ধাপে বালি: প্রায় ৯০ লাখ টাকা

এম এস কালো তার: প্রায় ৮১ লাখ টাকা

এছাড়া বিল অনুমোদন ও ফাইল চলাচলে ৫% থেকে ১০% পর্যন্ত কমিশন দাবি করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। 
কালো তার মজুদ ব্যবস্থাপনাতেও অনিয়মের আভাস পাওয়ার দাবি করেন অভিযোগকারীরা।

অভিযোগ নিয়ে কথোপকথন ও পরবর্তী পরিস্থিতি

২৭ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ বুধবার অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে এক্সচেঞ্জ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে সাংবাদিক মোঃ সেন্টুর মুঠোফোনে কথা হয়।

তিনি জানান,আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে অফিসে সৌজন্য সাক্ষাতে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

তবে পরদিন বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে গেলে তিনি সাংবাদিকের ফোন রিসিভ করেননি। অভিযোগের বিষয়ে তিনি কথা বলবেন কি না-এ সম্পর্কেও কোনো মন্তব্য করেননি।

এ পরিস্থিতিতে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নীরবতা জনমনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

নির্বাহী প্রকৌশলীর নীরবতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন

বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের আরিচা পি সি পোল নির্মাণ প্ল্যান্টের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী জুনাইদ রুশদি অভিযোগ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কার্যক্রম, টেন্ডার প্রক্রিয়া, ঠিকাদারি ব্যবস্থাপনা এবং পণ্য মজুদের স্বচ্ছতা নিয়ে পুনরায় জবাবদিহিতার প্রশ্ন সামনে এসেছে।

প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি

স্থানীয় সচেতন মহল, ঠিকাদারি অংশীদার ও নাগরিকরা বলছেন
সরকারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্ত, অভ্যন্তরীণ অডিট এবং দাপ্তরিকভাবে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান জরুরি। একই সাথে অভিযোগকারীর বক্তব্য, কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা এবং সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও উঠেছে।

Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়