দেড় শতাধিক ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের

দেড় শতাধিক ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের || বিএমএফ টেলিভিশন

প্রকাশিতঃ দুপুর ০১:৪৪, শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩৩
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

দেড় শতাধিক ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী এখন পর্যন্ত ১৬০টিরও বেশি শত্রু ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ইরানের জাতীয় আকাশ প্রতিরক্ষা যৌথ সদর দপ্তরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

শনিবার (০৪ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অলিরেজা এলহামি বলেন, ইরানের বাহিনী আধুনিক দেশীয় প্রযুক্তি ও কৌশল ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান ও ড্রোন মোকাবিলা করছে। তিনি দাবি করেন, ইরান ইতোমধ্যে একাধিক উন্নত যুদ্ধবিমান, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১৬০টির বেশি ড্রোন ধ্বংস করেছে। ভূপাতিত ড্রোনগুলোর মধ্যে হার্মিস ড্রোন এবং লুকাস মডেলের ড্রোনও রয়েছে।

এলহামি বলেন, নতুন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও কৌশলের কারণে শত্রুপক্ষ বিভ্রান্তিতে পড়েছে। বর্তমানে ইরানের আকাশসীমা এখন আরও সুরক্ষিত।

এর আগে প্রেসটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ৫ ড্রোন-যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা একদিনে অন্তত দুটি যুদ্ধবিমান, দুটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এ ঘটনাকে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমানবাহিনীর জন্য ‘কালো দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

এক বিবৃতিতে ইসলামিক রেভুলেশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, বিভিন্ন প্রদেশে সফলভাবে এসব প্রতিরোধ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এরমধ্যে খোমেইন ও জানজান অঞ্চলের আকাশে দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া ইসফাহানে দুটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং বুশেহরে একটি হারমেস ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

একই দিনে মধ্য ইরানে একটি উন্নত যুদ্ধবিমান ধ্বংসের কথাও জানিয়েছে আইআরজিসি। ওই বিমানের পাইলট নিখোঁজ রয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির কাছে দক্ষিণাঞ্চলের আকাশে একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট II (ওয়ার্থগ) যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। পরে এটি পারস্য উপসাগরে বিধ্বস্ত হয়।

ইরান জানায়, তাদের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অধীনে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আকাশসীমা আরও সুরক্ষিত করা হবে। দেশটি দাবি করছে, তাদের ওপর চালানো হামলার জবাব হিসেবেই এসব প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

 



Share This Article

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়